ইয়েমেনের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মারিবে সেনাবাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তীব্র সংঘাত হয়েছে। এতে অন্তত ৮০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন ইয়েমেনি সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগের পরিচালক ইয়াহিয়া আল-হাতেমি। এদিকে হুতি বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই না করতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
একের পর এক শহরের দখলের পর এবার হুতি বিদ্রোহীদের নজর মারিব প্রদেশের রাজধানী মারিব সিটির দিকে। এরই মধ্যে প্রদেশটির প্রায় সব শহরই দখল নিয়েছে ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠী।
রোববার মারিব সিটিতে সেনাবাহিনী ও হুতিদের মধ্যে তীব্র সংঘাত হয়েছে। এতে অন্তত ৮০ জন হুতি যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইয়েমেনি সেনাবাহিনী। এ ছাড়া ২৪ ঘণ্টায় হুতিদের ৯টি সামরিক যান ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানান সেনাবাহিনীর মিডিয়া বিভাগের পরিচালক ইয়াহিয়া আল-হাতেমি।
সেনা-হুতি সংঘাত চলাকালে মারিবজুড়ে অভিযান পরিচালনা করেছে ইয়েমেনের বিমানবাহিনী। অভিযানে প্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় হুতিদের সামরিক স্থাপনাকে হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তবে সংঘাতে ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে কোনো তথ্য দেননি হাতেমি।
এদিকে হুতি বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে লড়াই না করতে রাজি হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ওয়াশিংটন হুতিদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে বলেও জানান ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেন, হুতিরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীর ওপর হামলা করা থেকে বিরত রয়েছে। এমন সময়ে তিনি এসব কথা বলছেন, যখন যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র সৌদি আরব ক্রমাগত চাপের মুখে রয়েছে। হুতি বিদ্রোহীরা প্রায় প্রতিদিনই সৌদির বিভিন্ন স্থানে হামলা চালাচ্ছে।
অন্যদিকে হুতিদের ক্রমবর্ধমান হামলার মুখে সৌদি আরবকে সামরিক সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানান, পাকিস্তানসহ ত্রিদেশীয় মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় রিয়াদকে যেকোনো ধরনের সহায়তা দিতে প্রস্তুত আঙ্কারা।