যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ভাষণে কঠোর বার্তা দিলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। শুরুতেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় নিহত শিশুদের ছবি তুলে ধরেন তিনি। পেজেশকিয়ান অভিযোগ করেন, ইরানের স্কুল, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয় ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
যুক্তরাষ্ট্র ইরানকে সন্ত্রাসের পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তুলে ধরলেও বাস্তবে ইরানিরাই সন্ত্রাসের শিকার বলে দাবি করেন তিনি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির একদিন পর পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ট্রাম্পের সামনে কখনো মাথা নত করবে না তেহরান।’
হরমুজ প্রণালি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোনো দেশই এই জলপথ ব্যবহার করে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি বা আগ্রাসন চালাতে পারবে না। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তায় সহযোগিতার আগ্রহের কথা জানান তিনি।
এদিকে পেজেশকিয়ানের ভাষণ শুরুর কয়েক মিনিটের মধ্যেই অধিবেশন কক্ষে থাকা একমাত্র মার্কিন প্রতিনিধি হল ত্যাগ করেন।
ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘আমরা নিজেদের রক্ষার জন্য শক্তিশালী হতে চাই, আগ্রাসন চালানোর জন্য নয়। আমরা উন্নয়নের জন্য জ্বালানি চাই, বোমা তৈরি, ধ্বংসযজ্ঞ বা অন্যদের হুমকি দেওয়ার জন্য নয়। ইরানকে এতটা শক্তিশালী হতে হবে, যাতে কেউ আমাদের অস্তিত্ব ও অগ্রগতিকে হুমকি দিতে না পারে। ট্রাম্পের জানা উচিত, হুমকি দিয়ে আমাদের জনগণকে কখনো আত্মসমর্পণে বাধ্য করা যাবে না।’