সেকশন

বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Independent Television
ad
ad
 

সাগরে তেল–গ্যাস অনুসন্ধান: দরপত্র গ্রহণ শেষ সেপ্টেম্বরে 

আপডেট : ০৮ মে ২০২৪, ০৮:০৫ পিএম

সমুদ্রে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র গ্রহণ শেষ হবে সেপ্টেম্বর মাসে। নতুন উৎপাদন বন্টন চুক্তি আকর্ষণীয় হওয়ায় নিলামে ভালো সাড়া মিলবে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। বুধবার রাজধানীর এক হোটেলে আয়োজিত সেমিনারে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, ৭ বিদেশি প্রতিষ্ঠান জরিপের তথ্য কিনেছে। আগামী বছরই চূড়ান্ত হবে বিনিয়োগকারী।     

সমুদ্র সীমা বিজয়ের পর ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৪ দফা আন্তর্জাতিক দরপত্রে মাত্র ৬ ব্লকের জন্য চুক্তি হয়। প্রাথমিক অনুসন্ধান শেষে দরদামে সুবিধা না পাওয়ায় দেশ ছাড়ে বহুজাতিক কোম্পানিগুলো।

গতবছর গ্যাসের দাম অপরিশোধিত তেলের দাম ১০ শতাংশ করে করছাড়সহ বিভিন্ন সুবিধা দিয়ে নতুন উৎপাদন বন্টন চুক্তি (পিএসসি) করে পেট্রোবাংলা। গত গত ১০ মার্চ সমুদ্রের অগভীর ৯ এবং গভীরে ১৫ ব্লকের দরপত্র আহ্বান করা হয়। 

বুধবার নিলামের প্রচারণায় আয়োজিত সেমিনারে অংশ নেয় ১১ বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। স্থানীয় গ্যাসের ৬০ শতাংশ জোগান দেওয়া শেভরন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট বলেন, সমুদ্রে তেল গ্যাস অনুসন্ধানে বিনিয়োগে দরকার স্বচ্ছ, টেকসই ও আকর্ষণীয় নীতি।

সবার স্বার্থ রক্ষা করে নতুন পিএসসি হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘প্রোডাকশন শেয়ারিং কনট্যাক্ট যেটার মাধ্যমে আমরা বিনিয়োগ আকর্ষণ করব, সেটা নতুন ভাবে সাজানো হয়েছে। সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।’ 

জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানান, আগামী বছর চুক্তি করতে পারলে গ্যাস মিলতে পারে ৭ থেকে ৮ বছরের মধ্যে। তিনি বলেন, ‘বিশ্বের সর্ববৃহৎ ৭টি এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি আমাদের বিড ডকুমেন্ট কিনেছে। এটা একটা বড় বিষয়। মাল্টিপ্ল্যান সার্ভে কিনেছে।’ 

আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান টিজিএস এবং স্লাইমবার্জারের যৌথ জরিপের তথ্যে সমুদ্রে তেল-গ্যাসের ভালো সম্ভাবনা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। 

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ম তামিম বলেন, ‘এর অর্ধেকও যদি আমার মনে হয় ঠিক হয় তাহলে আমাদের খুব ভালো সম্ভাবনা আছে অফশোরে গ্যাস পাওয়ার।’ 

জানা যায়, স্থলভাগে আরো বেশি গ্যাসের অনুসন্ধানে অনশোর উৎপাদন বন্টন চুক্তিও সংশোধন করছে জ্বালানি বিভাগ । 

সাগরের তেল গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্র আহ্বানের জন্য পেট্রোবাংলার দেওয়া বিজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের বাইরে ১৫ হাজার ব্যারেল বা ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলনের অভিজ্ঞতা আছে এমন আইওসি পেট্রোবাংলার দরপত্রে অংশ নিতে পারবে। মডেল উৎপাদন বন্টন চুক্তির (পিএসসি) আওতায় বিদেশি কোম্পানিগুলোকে ব্লক দেওয়া হবে। এ জন্য ২০২৩ সালে মডেল পিএসসির চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় সরকার। সংশোধিত এ মডেল চুক্তি অনুযায়ী সাগরে গ্যাস পাওয়া গেলে বিশ্ববাজারে তেলের দামের ১০ শতাংশ ধরে সরকার প্রতি ইউনিট গ্যাস কিনবে। যা বিদ্যমান পিএসসিতে যথাক্রমে অগভীর ও গভীর সমুদ্রে ৫ দশমিক ৬ ডলার ও ৭ দশমিক ২৫ ডলার স্থির দর ছিল। 

ব্রেন্ট ক্রডের দামের ক্ষেত্রে সারা মাসের দর গড় হিসেবে ধরা হবে। দামের পাশাপাশি সরকারের শেয়ারের অনুপাতও নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। মডেল পিএসসি-২০১৯ অনুযায়ী গ্যাসের উৎপাদন বৃদ্ধির সঙ্গে বাংলাদেশের অনুপাত বৃদ্ধি পেতে থাকবে। আর কমতে থাকবে বহুজাতিক কোম্পানির শেয়ার। 

গভীর সমুদ্রে ৩৫ থেকে ৬০ শতাংশ এবং অগভীর সমুদ্রে বাংলাদেশের হিস্যা ৪০ থেকে ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত ওঠানামা করবে। তবে ঠিকাদার নির্ধারিত সময়ের দুই বছরের মধ্যে কূপ খনন করে গ্যাস না পেলে কিংবা, বাণিজ্যিকভাবে উত্তোলনযোগ্য না হলে শর্তসাপেক্ষে যথাক্রমে ১ ও ২ শতাংশ হিস্যা বাড়ানোর সুযোগ থাকছে।

এর আগে প্রায় এক যুগ আগে ২০১২ সালের ৯ ডিসেম্বর বঙ্গোপসাগরে সবশেষ আর্ন্তজাতিক দরপত্র আহবান করেছিল পেট্রোবাংলা। সেই দরপত্রে ৯টি ব্লকের জন্য সাড়া পেলেও তিনটি ব্লক নিয়েছিল আর্ন্তজাতিক তেল কোম্পানি। এর মধ্যে এসএস ৪ এবং ৯ নম্বর ব্লক নিয়েছিল ভারতের ওএনজিসি এবং ১১ নম্বর ব্লক নিয়েছিল সান্তোস। তবে সেই বিডিং বা দরপত্রের কোন ইতিবাচক ফলাফল পায়নি বাংলাদেশ। 

এরপর ২০১৪ সালে সমুদ্র বিজয় হয়েছে। বাংলাদেশ বুঝে পেয়েছে সমুদ্রে বিশাল সীমানা। কিন্তু বাংলাদেশ তেমন কোন উপকার হয়নি। ২০১৪ সালের পর এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ গভীর এবং অগভীর সমুদ্রে কোনো তেল গ্যাস পায়নি।

গত বছরের মে মাসের তুলনায় চলতি বছরের মে মাসে রাশিয়ার জ্বালানি থেকে আয় বেড়েছে প্রায় ৫০ শতাংশ। পশ্চিমাদের নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও রাশিয়ার এ অর্জনক ‘অভাবনীয়’ বলছেন বিশ্লেষকেরা।
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল জ্বালানি তেলের দাম। বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বৃহস্পতিবার জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করে প্রজ্ঞাপন প্রকাশ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। এতে দেখা যায়,...
স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ১ কোটি দশ লাখ লিটার সয়াবিন তেল কিনবে সরকার ৷ এই তেল কিনতে মোট ক্রয় মূল্য ধরা হয়েছে ১৮২ কোটি ৪০ লাখ টাকা ৷
বিশ্বের বৃহত্তম চিপ তৈরিকারী অঞ্চল তাইওয়ান। বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম তৈরির এ অতিগুরুত্বপূর্ণ উপাদানটি উৎপাদনের জন্য বিপুল বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। কিন্তু স্বায়ত্তশাসিত দ্বীপটিতে জ্বালানি সংকট সম্প্রতি চরমে...
ঢাকার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারের মো. অপু নামে এক অসুস্থ হাজতির মৃত্যু হয়েছে। তাঁর বয়স আনুমানিক ৪৫ বছর। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে অসুস্থ অবস্থায় ওই হাজতিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক)...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর

 
By clicking ”Accept”, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and improve marketing.