বিশেষ ক্যাম্পেইনের পরও হামের টিকার আওতার বাইরে অনেক শিশু। ঢাকার দুই হাসপাতালে ভর্তি ৮ মাস বা তার বেশি বয়সী ৫০ ভাগ শিশুর অভিভাবকই বলেছেন, সন্তানকে টিকা দেননি। ইপিআই সেন্টারের তথ্য বলছে, এখনও প্রতিদিন অনেক শিশুকে টিকা দিতে নেওয়া হচ্ছে, যাদের বয়স ৬ মাস থেকে ৫ বছরের মধ্যে। ৯৫ ভাগ শিশুকে টিকা না দিতে পারলে সুফল মিলবে না, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের বাংলাদেশ শিশু হাসপাতালের হাম ওয়ার্ডের এক ও দুই নম্বর শয্যায় চিকিৎসাধীন, শরীয়তপুরের আয়ান ও কুমিল্লার চান্দিনার মারিয়াম। দুটি শিশুরই বয়স ৮ মাস।
হাম প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় বিশেষ ক্যাম্পেইনের আওতায় এ দুই শিশুরই টিকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এই দুজন ছাড়া হাসপাতালটির বেশিরভাগ রোগীর অভিভাবক জানালেন, নানা কারণে টিকা দিতে পারেননি সন্তানদের।
ইপিআই ভবন টিকাকেন্দ্রের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মজিবর রহমান বলেন, ‘২০ এপ্রিল থেকে ২০ মে পর্যন্ত বিশেষ ক্যাম্পেইনের পরও এখনও প্রতিদিন টিকা নিতে যাচ্ছে শিশুরা।’
এখনও কমেনি দেশব্যাপী হামের প্রাদুর্ভাব। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, প্রতিদিন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে হাজারেরও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্মিলিত পদক্ষেপ না নিলে প্রাদুর্ভাব কমবে না।
শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিচালক অধ্যাপক ডা. মির্জা জিয়াউল ইসলাম বলেন, ‘সম্মিলিত পদক্ষেপ না নিলে হামের প্রাদুর্ভাব কমবে না।’
রাজধানীর মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে বর্তমানে ভর্তি ৩৭৭ জন হাম রোগী। আর আগারগাঁওয়ের শিশু হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে ১০৬ জন।



