সেকশন

শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ৭ আষাঢ় ১৪৩১
Independent Television
ad
ad
 

একুশে আগস্ট হামলা মামলার রায় কাল

আপডেট : ১০ অক্টোবর ২০১৮, ১২:০৯ পিএম
চৌদ্দ বছর অপেক্ষার পর একুশে আগস্ট হামলার মামলার রায় হচ্ছে কাল। ২০০৪ সালে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভী রহমানসহ নিহত হন ২৪ জন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আহত হন অনেকেই। গতমাসে শেষ হয় এই ঘটনায় হত্যা ও বিষ্ফোরক দ্রব্য আইনের দুই মামলার বিচার।

২১ আগস্ট বিকাল। রক্তে ভেসে যায় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ। ঘটনার পরদিন মামলা হয় মতিঝিল থানায়। ওই সময় খালেদা জিয়ার সরকার জজ মিয়া নাটক সাজিয়ে তদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার চেষ্টা করে। তবে ২০০৭ সালে ক্ষমতার পালাবদলে তদন্তের মোড় ঘোরে। সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলেই মূলত এই গ্রেনেড হামলায় চার দলীয় জোট সরকারের সংশ্লিষ্টতা ধরা পড়ে।

২০০৮ জুনে বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন আহমদ, হরকাতুল জিহাদ নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এতে বলা হয়, শেখ হাসিনাকে হত্যার লক্ষ্যেই হয় হামলা। শুরু হয় বিচারকাজ।

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর অধিকতর তদন্তের আবেদন করা হয়।

২০১১ সালের ৩ জুলাই সম্পূরক অভিযোগপত্র জমা দেন সিআইডির কর্মকর্তা আব্দুল কাহহার আকন্দ। এতে তারেক রহমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, হারিছ চৌধুরী, আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদসহ নতুন ৩০ জনকে আসামি করা হয়। আসামি করা হয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎকালীন সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদেরও।

হত্যা ও বিষ্ফোরক আইনের দুই মামলায় আসামি করা হয় মোট ৫২ জনকে। পরে অন্য মামলায় মুজাহিদ, মুফতি হান্নানসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড হলে এই মামলা থেকে তাদের নাম বাদ পড়ে। এছাড়া পলাতক ১৮ জন। বাকিরা কারাগারে।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ২২৫ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। আসামিপক্ষে সাক্ষ্য দেন ১২ জন। বিচার কার্যক্রম শেষে এ বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন রায়ের দিন ঠিক করেন। ওইদিনই জামিনে থাকা তিন সাবেক পুলিশ প্রধানসহ আটজনের জামিন বাতিল করে কারাগারে পাঠানো হয়।

/এম-আই/
লোডিং...

এলাকার খবর

 
By clicking ”Accept”, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and improve marketing.