সেকশন

সোমবার, ২৭ মে ২০২৪, ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১
Independent Television
ad
ad
 

নোবেলজয়ী সাহিত্যিক এলিস মুনরো মারা গেছেন

আপডেট : ১৫ মে ২০২৪, ১০:৩৮ এএম

কথাসাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী কানাডীয় লেখক এলিস মুনরো মারা গেছেন। স্থানীয় সময় সোমবার রাতে অন্টারিওর নিজ বাসভবনে ৯২ বছর বয়সে মৃত্যু হয় এই খ্যাতিমান সাহিত্যিকের। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

এলিস মুনরো দীর্ঘ ৬০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ছোট গল্প ও উপন্যাস লিখেছেন। তাঁর সাহিত্যের প্রধান অনুষঙ্গ ছিল কানাডার গ্রামীণ জীবন। গভীরতম সাহিত্যবোধের কারণে তাঁকে কিংবদন্তী রুশ লেখক আন্তন চেখভের সঙ্গে তুলনা করা হয়। তিনি ২০১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জয় করেছিলেন।

এলিস মুনরোর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে তাঁর প্রকাশক ও পেঙ্গুইন র‍্যান্ডম হাউস কানাডার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টিন কোচরান বলেন, ‘অন্টারিওর পোর্ট হোপে নিজ বাড়িতেই মারা গেছেন এলিস মুনরো। সারা বিশ্বে এই মহান লেখকের পাঠকেরা রয়েছেন। তিনি তাঁর লেখায় গভীর জীবনবোধ ও মানবতা তুলে ধরার কারণে বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হয়েছেন।’

১৯৬৮ সালে প্রথম ছোটগল্প সংকলন প্রকাশের মাধ্যমে আলোচনায় আসেন এলিস মুনরো। তাঁর ছোটগল্প ‘ডান্স অব দ্য হ্যাপি শেড’ কানাডার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার গভর্নর জেনারেল অ্যাওয়ার্ড পেয়েছিল। জীবদ্দশায় তিনবার তিনি এই পুরস্কার পেয়েছিলেন।

এলিস মুনরো তাঁর জীবদ্দশায় তেরটি ছোটগল্পের বই, একটি উপন্যাস ও দুটি নির্বাচিত ছোটগল্পের সংকলন প্রকাশ করেছেন। একটিমাত্র উপন্যাস ‘লাইভস অব গার্লস অ্যান্ড উইমেনস’ লিখে তিনি বিশ্বজুড়ে পাঠকদের মন জয় করেছেন।

১৯৩১ সালে অন্টারিওর উইংহামে জন্মেছিলেন এলিস মুনরো। তাঁর বাবা ছিলেন খামারচাষী ও মা ছিলেন স্কুলশিক্ষক। মুনরোর বেশির ভাগ লেখায় এই অঞ্চলের মানুষ, সংস্কৃতি ও তাদের জীবনযাপন উঠে এসেছে। তিনি লন্ডনের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েস্টার্নে বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন।

মুনরোর লেখা ‘দ্য বিয়ার কাম ওভার দ্য মাউন্টেন’ গল্প থেকে ২০০৬ সালে ‘অ্যাওয়ে ফ্রম হার’ চলচ্চিত্র নির্মিত হয়েছে। সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য ২০০৯ সালে তিনি ম্যান বুকার পুরস্কার পেয়েছেন। ম্যান বুকার পুরস্কার দেওয়ার সময় বিচারকেরা বলেছিলেন, ‘এলিস মুনরো পড়ার অর্থ হচ্ছে, প্রতিবার আপনি এমন কিছু শিখবেন যা আগে কখনো ভাবেননি।’

টংক আন্দোলনে নারীদের ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ। কুমুদিনী হাজং ছিলেন তাঁর জ্বলন্ত উদাহরণ। তিনি ১৯২২ সালে জন্ম গ্রহণ করেন। আর গতকাল তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তিনি এ কথা বুঝিয়ে গেছেন,...
২০২৩ সাল, এ বছরটিতে আমরা হারিয়েছি অনেক গুণীজনকে। বছর জুড়েই জাতীয়, শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনের অনেক শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তিদের চিরবিদায় জানাতে হয়েছে। যাঁরা মারা গেছেন, তাঁরা নিজ নিজ অবদানের জন্য...
'অভিনয় করছি, আর অভিনয়ের পর সারা রাত ধরে আন্দোলনের পোস্টার মেরেছি রাস্তায় রাস্তায়। কোনো দিন ভোর রাতে বাড়ি ফিরি, কোনো দিন হয়তো ফেরাই হয় না। কিন্তু ক্লান্তি বোধ করিনি এতটুকু। একটাই স্বপ্ন, বাঁচার মতো...
নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী লেখক সেলমা লেগারলফ। তিনি ১৯০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। সুইডিশ এ লেখক প্রচণ্ড একাগ্রতা আর মনোবল দিয়ে জয় করেন তাঁর শারীরিক পঙ্গুত্বকে।
বৃষ্টি মানে সবুজ গাছপালা এবং পরিচ্ছন্ন প্রকৃতি। আবার অন্যদিকে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ। রাস্তাঘাটে বের হলে কাদা আর নোংরা পানি। এই সময় সবচেয়ে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয় জুতা নিয়ে। বৃষ্টির পানি, জীবাণু এবং...
লোডিং...

এলাকার খবর

 
By clicking ”Accept”, you agree to the storing of cookies on your device to enhance site navigation, analyze site usage, and improve marketing.