ইন্দোনেশিয়ায় সৃষ্ট দাঙ্গার মধ্য দিয়ে এশিয়ার আরেকটি দেশের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি উত্তাল হয়ে উঠল। এই দাঙ্গা অনেক ইন্দোনেশীয়কেই ১৯৯৮ সালের পরিস্থিতির কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। সেবার সহিংস আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সে সময়ে দেশটির স্বৈরশাসক সুহার্তোর পতন হয়েছিল, যিনি ৩ দশক ধরে দেশটির ক্ষমতায় ছিলেন।
১৯৯৮ সালের মতো এবারও বিক্ষোভকারীরা দেশটির আইনসভা চত্বর এবং সেইসব বিত্তে ও প্রভাবে অভিজাত রাজনীতিকদের লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই অভিজাত রাজনীতিকদের বিক্ষোভকারীরা নিজেদের দারিদ্র্যের জন্য দায়ী বলে মনে করে। তারা এসব রাজনীতিকদের বাড়িতে হামলা করছে, তাদের বিলাসবহুল জিনিসপত্র লুট করছে।
এ ক্ষেত্রে নিরাপত্তা বাহিনীর আচরণও লক্ষ্যণীয়। একদিকে পুলিশ বাহিনীর তরফ থেকে সহিংসতার ব্যাপক প্রতিবেদন আসছে, অন্যদিকে লুটতরাজ চলার সময় সেনাবাহিনীর নির্লিপ্ত দাঁড়িয়ে থাকার দৃশ্যও বাস্তব। এমনকি সেনাবাহিনী বিক্ষোভকারীদের দাঙ্গা ও লুটে সহায়তা করছে বলেও অভিযোগ আছে। দাঙ্গাকারীদের তারা অর্থ ও পানীয় দিয়ে সহায়তাও করছে।
সেনাবাহিনীর এমন ভূমিকা অনেককে ১৯৯৮ সালের দাঙ্গায় সামরিক বাহিনীর সম্পৃক্ততার কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে, যখন সৈন্যরা একদিকে বিক্ষোভকারীদের ওপর কঠোর দমন-পীড়ন চালিয়েছিল, অন্যদিকে দাঙ্গা ও লুটপাট চালাতেও সহায়তা করেছিল। বর্তমান রাষ্ট্রপতি প্রাবোও সুবিয়ান্তো, সে সময় সেনাবাহিনীর একজন সিনিয়ার জেনারেল ছিলেন। চলমান ঘটনাগুলোতে সহায়তার, বিশেষ করে গণতন্ত্রকামীদের গুম করার যে অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে উঠেছে, তা প্রাবোও অস্বীকার করেছেন।
জাকার্তার পরিস্থিতি অবশ্য এখনও ১৯৯৮ সালের মতো গুরুতর নয়। কিন্তু ধনী ও ক্ষমতাবানদের লক্ষ্য করে হাজার হাজার সহিংস বিক্ষোভকারী যেভাবে হামলা ও লুট করছে, তা ইন্দোনেশিয়ার অভিজাতদের জন্য দুঃস্বপ্ন হয়ে উঠেছে। ব্যাপক বিক্ষোভ তাদের অনেকটাই অবরুদ্ধ করে রেখেছে এমনকি কিছু ক্ষেত্রে তাদের পিছু হটতেও বাধ্য করছে।
এ ধরনের বিক্ষোভ আবার অভিজাত শ্রেণির একাংশ নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে পছন্দসই পথে পরিচালিত করার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য বিক্ষোভকারীদের দিয়ে একই শ্রেণির প্রতিপক্ষকে নাজেহাল করা বা কোনো কোনো ক্ষেত্রে নিঃস্ব করা। অভিজাতরা বিক্ষোভকারীদের একে অপরের বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে। যদিও অভিজাত শ্রেণির মধ্য থাকা প্রতিদ্বন্দ্বিতার চেয়েও বড় কিছু এই পরিস্থিতির কেন্দ্রে রয়েছে।
জনদুর্ভোগ বনাম রাজনৈতিক সুবিধা
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আইনপ্রণেতাদের একটি দমনমূলক নতুন ফৌজদারি বিধি প্রণয়নের পরিকল্পনা পরিত্যাগ, কিংবা একসময়ের সমীহ জাগানীয়া দুর্নীতি দমন কমিশনকে অকার্যকর করার বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভ ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু এই ব্যর্থতা কেবল রাজনীতিবিদদের বিরুদ্ধে জমে থাকা অসন্তোষই বাড়িয়েছে। গত ১৭ আগস্ট, দেশটির স্বাধীনতা দিবসে কিছু বিক্ষোভকারী জাতীয় পতাকার নিচে জলদস্যু পতাকা উড়িয়েছিল। প্রশাসন এই আচরণকে ‘রাষ্ট্রদ্রোহ’ বলে অভিহিত করে।
বর্তমানে রাস্তায় যে বিক্ষোভগুলো দেখা যাচ্ছে, তার শুরুটি হয়েছিল সে ঘটনার এক সপ্তাহ পর গত ২৫ আগস্ট। সে সময় ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় আইনসভা (ডিপিআর) ভেঙে দেওয়ার দাবি জানায় মানুষ। আইনপ্রণেতারা নিজেরা আবাসন ভাতা হিসেবে মাসিক ৩ হাজার মার্কিন ডলারের বেশি নিজেদের জন্য বরাদ্দ করার পর জনমনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছিল। এদিকে আইনসভার ডেপুটি স্পিকার দাবি করেন যে, এই ভাতাও নাকি যথেষ্ট নয়। অথচ দেশটির অনেক রাজনীতিকই মাসে ৯ হাজার ডলারের বেশি এবং কেউ কেউ মাসে ২১ হাজার ডলারের বেশি আয় করেন। এটি এই ক্ষোভকে বিস্ফোরণোন্মুখ করে তোলে।
ফলে মানুষের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া হওয়াটাই স্বাভাবিক, যেখানে খোদ রাজধানী জাকার্তাতেই ন্যূনতম মজুরি মাসে মাত্র ৫০০ ডলার। পাশাপাশি ইন্দোনেশিয়ায় রাজনীতিবিদদের প্রতি গভীর হতাশা রয়েছে দেশটির মানুষদের। কারণ জনপরিসরে তাঁরা দুর্নীতিগ্রস্ত, অলস ও মানুষের ধরাছোঁয়ার বাইরে বলেই পরিচিত।
এদিকে গত অক্টোবরে শেষবার শপথ নেওয়ার পর থেকে দেশটির প্রেসিডেন্ট প্রাবোও অনেকগুলো ব্যয়বহুল প্রকল্পে সই করেছেন, যা বাজেট ঘাটতি তৈরি করেছে। এর অর্থ হলো–স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত বহু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিসর সংকুচিত হবে। অথচ দেশটিতে দরিদ্রদের সংখ্যা বাড়ছে এবং মধ্যবিত্ত সংকুচিত হচ্ছে।
স্বাভাবিকভাবেই, বিক্ষোভকারীরা আইনপ্রণেতাদের নতুন আবাসন ভাতাসহ বিভিন্ন ধরনের বিলাসী ভাতা বাতিলের দাবি জানায়। অথচ এই দাবির প্রতি আইনপ্রণেতারা দাম্ভিকতার সঙ্গে রূঢ় প্রতিক্রিয়া জানান। এমনকি এক আইনপ্রণেতা এই দাবিতে আন্দোলন করা মানুষদের, ‘বিশ্বের সবচেয়ে নির্বোধ লোক’ বলে অভিহিত করেছিলেন।
বিক্ষোভগুলো শুরুতে অপেক্ষাকৃত শান্তিপূর্ণই ছিল। কিন্তু গত ২৮ আগস্ট আফান কুরনিআবান নামের ২১ বছর বয়সী এক ডেলিভারি বয়ের ওপর দিয়ে পুলিশ ভ্যান তুলে দিয়ে, তাকে হত্যা করা হয়।
এই হত্যা ব্যাপকভাবে প্রতীকী হয়ে ওঠে। দিন আনি দিন খাই ধরনের একজন কর্মী, যিনি তাঁর মা–বাবার ভরণপোষণের অর্থ জোগাড়েই হিমশিম খাচ্ছিলেন, তাঁর ওপরই চেপে বসল এক সশস্ত্র যান, যার ড্রাইভিং হুইলে ছিল পুলিশ। এই পুলিশ রাষ্ট্রের দুর্নীতি ও শোষণযন্ত্রের সরাসরি প্রতিনিধি হিসেবে জনতার সামনে উপস্থিত। বিক্ষোভের কেন্দ্রে এটি এক ভয়াবহ ঝড় তুলল। এই মৃত্যু জনতাকে বুঝিয়ে দিল যে, লোভী অভিজাত রাজনীতিকদের কাছে তারা ছোটলোক ছাড়া আর কিছুই নয়, যাদের নিয়ে বিন্দুমাত্র ভাবনার কিছু নেই।
মোটরবাইক ট্যাক্সি অ্যাসোসিয়েশনসহ অন্য নানা সামাজিক সংগঠন দ্রুত সংগঠিত হলো এবং পুলিশের বিচারের দাবি তুলল একযোগে। তারপর এ বিক্ষোভ জাকার্তা পুলিশ সদর দপ্তরের বাইরে গিয়ে হাজির হলো এবং ক্রমেই সারা ইন্দোনেশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ল। পুলিশ স্টেশন, সরকারি ভবন, এবং বাস ও ট্রেন স্টেশন বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠল।
এরপর শুরু হয় লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ। একাধিক আঞ্চলিক আইনসভা ভবন ধ্বংস হলো। এর পর নিহত হয়েছে আরও অন্তত সাতজন।
প্রাবোও এখন বলেছেন যে, তিনি বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ শুনেছেন এবং ডিপিআর আইনপ্রণেতাদের ভাতা বাতিল করবে। তবে এই প্রতিশ্রুতি আদৌ রক্ষা হবে কিনা, বা প্রাবোওর এই অবস্থান স্থায়ী হবে কিনা, তা নিয়ে সংশয় আছে, যেহেতু আইনপ্রণেতাদের পকেট পরিপূর্ণ রাখা প্রাবোওর নিজেরও স্বার্থ জড়িয়ে।
নিজের সামরিক অতীত এবং ‘স্ট্রংম্যান’ ভাবমূর্তি বাঁচাতে বিক্ষোভকারীদের রাষ্ট্রদ্রোহী ও সন্ত্রাসবাদী কাজে যুক্ত বলেও মন্তব্য করেছেন প্রেসিডেন্ট প্রাবোও। তিনি পুলিশকে ‘দৃঢ় সংকল্প’ নিয়ে এর মোকাবিলা করার আদেশও দিয়েছেন।
আছে ষড়যন্ত্র তত্ত্ব
চলমান ঘটনাগুলো স্পষ্টতই অভিজাতদের কিছু সদস্যের জন্য হুমকিস্বরূপ। তবে এই পরিস্থিতি অভিজাতদের একাংশের জন্য সুযোগেরও নামান্তর–এতে কোনো সন্দেহ নেই।
কিছু বিক্ষোভকারী বিশ্বাস করেন যে, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়ার পেছেনে রয়েছে তাদের মর্যাদা, তহবিল ও প্রভাব নিয়ে থাকা দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা। অবশ্যই এর সঙ্গে আছে তাদের সাথে যুক্ত রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূত্রও।
প্রাক্তন বিশেষ বাহিনী কমান্ডার প্রাবোওকে সেনাবাহিনী সমর্থন দিচ্ছে বলে চাউর আছে। অন্যদিকে পুলিশ প্রধান লিস্তিও সিগিত প্রাবোও (প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই) সাবেক প্রেসিডেন্ট জোকো ‘জোকোউই’ উইডোডোর প্রতি অনুগত। তাঁকে নিয়োগও দিয়েছিলেন জোকোউই। জোকোউই তাঁর শাসনকালে পুলিশের বাজেট ও সদস্য সংখ্যাও ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করেছিলেন।
যদিও প্রাবোও গত বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জোকোউইয়ের সাথে জোট গঠনের কারণেই জয়লাভ করেছিলেন, কিন্তু এই দুজন এখন ক্ষমতার দ্বন্দ্বে লিপ্ত।
কিছু সমালোচক মনে করেন, পুলিশ যদি বর্তমান বিক্ষোভে খল চরিত্র নিয়ে আবির্ভূত হয়, তবে তা প্রেসিডেন্ট প্রাবোওর জন্য সুবিধাজনক। কারণ, এটি জোকোউইকে দুর্বল করবে। সেনাবাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা বা দাঙ্গায় উসকানি দেওয়া বা সহায়তা করাটা ঠিক একইভাবে তাঁকে সহায়তা করবে। তিনি চান, পুলিশকে সাবেক স্বৈরশাসক সুহার্তোর মতো সেনাবাহিনীর অধীনে নিয়ে যেতে।
১৯৯৮ সালে, প্রাবোও জাকার্তায় দাঙ্গাকে উসকানি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ আছে। অবশ্য সেবার তাঁর ক্ষমতা দখলের চেষ্টা ব্যর্থ হয়। অনেক ইন্দোনেশীয় মনে করে, এবার ঠিক একই ধরনের একটি চেষ্টা তিনি করছেন হয়তো।
এই ধারণা সত্যি হোক বা না হোক, ষড়যন্ত্র তত্ত্বগুলো এখন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এটা নিশ্চিতভাবেই সম্ভব যে, অভিজাতরা রাস্তায় চলমান বিক্ষোভগুলোকে নিজেদের কাজে লাগানোর চেষ্টা করবে। যদিও সেটা কীভাবে, কে বা কারা, তা হয়তো অস্পষ্টই রয়ে যাবে।
তবে এটাও সমানভাবে স্পষ্ট যে, এই বিক্ষোভগুলো রাজনৈতিক অভিজাতদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের একটি পুঞ্জিভূত বিস্ফোরণ, যার পরিচালনায় রয়েছে মূলত প্রান্তিক পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে থাকা নাগরিক নানা সংস্থা। তবে হতাশার বিষয় হচ্ছে, এই সংগঠনগুলো এখন পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দাবি নিয়ে সামনে হাজির হতে পারেনি, যা চলমান বিক্ষোভের মঞ্চগুলোকে ১৯৯৮ সালের মতো করে একসূত্রে গাঁথতে পারবে।
প্রাবোওর প্রতিক্রিয়া কী?
অভিজাতরা কি পিছু হটবে? ১৯৯৮ সালে তারা তা করেছিল। তখন বিক্ষোভকারীরা অভিজাতদের নিজ শ্রেণির সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত অংশকে সরাতে শুদ্ধি অভিযান চালাতে বাধ্য করেছিল। বাধ্য করেছিল একটি গণতান্ত্রিক সংস্কার করতে।
কিন্তু এবার তা সম্ভব বলে মনে হয় না–অন্তত এখনও নয়। যদিও ইন্দোনেশিয়া ১৯৯৯ সাল থেকেই একটি সাংবিধানিক গণতন্ত্রের দেশ, তবুও দেশটির রাজনৈতিক কর্তৃত্ব এখনো তুলনায় ক্ষুদ্র একটি অভিজাত শ্রেণির কবজায় রয়েছে।
তারা নির্বাচনে জয় এবং রাজনৈতিক প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করতে এতটাই দক্ষ হয়ে উঠেছে যে, দেশটিতে সে অর্থে কার্যকর কোনো বিরোধী দলই নেই। এটি একটি ক্রমবর্ধমান অগণতান্ত্রিক শাসক জোট তৈরি করেছে, যাদের নিজেদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব থাকলেও বাইরের চাপের বিপরীতে তারা বেশ দৃঢ়।
যখন অনেক ধনী ও ক্ষমতাশালী ব্যক্তিই প্রাবোওর স্বভাবগত কর্তৃত্ববাদকে ভয় পায়, তবুও বর্তমান সংকটে সম্ভবত তাঁর সাথেই তারা থাকবে নিজেদের ক্ষমতা টেকানোর স্বার্থেই।
প্রকৃতপক্ষে, প্রাবোও নিজও এই বিক্ষোভকে নিজের কর্তৃত্বকে আরও দৃঢ় ভিতে দাঁড় করাতে কাজে লাগাবেন, যার কিছু নিদর্শন ইতিমধ্যে দেখা গেছে। কেউ কেউ বলছেন, এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তিনি সামরিক আইনও জারি করতে পারেন।
এর অর্থ হলো–যখন বর্তমান অস্থিরতা কেটে যাবে, এবং প্রাবোও ও তাঁর ঘনিষ্ঠরা নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে পারবেন, তখন নাগরিক সমাজ, বিরোধী পক্ষ ও সমালোচকদের ওপর তিনি বাজেভাবে চড়াও হবেন। ইন্দোনেশিয়ার সামনে এখন সত্যিই এক অস্পষ্ট ভবিষ্যৎ।
লেখক: দ্য কনভারসেশন ইউকে‑এর সম্পাদক
[লেখাটি কনভারসেশন থেকে ভাষান্তরিত]