১৯৭৯ ইরান বিপ্লব: কীভাবে একটি গণ–অভ্যুত্থান থেকে জন্ম নিল ইসলামী রাষ্ট্র

আপডেট : ১৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৫১ পিএম

ইরানে এই মুহূর্তে ভয়ংকর বিক্ষোভ চলছে। সরকারের বিরোধীরা রাস্তায় নেমেছে, নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে অনেক নিহতের খবর এসেছে, পরিস্থিতি সামলাতে ইন্টারনেট বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এদিকে সরকারের পক্ষেও বড় সমাবেশের খবর এসেছে।

সব মিলিয়ে গত পাঁচ দশকে ইরানের ইসলামী শাসকগোষ্ঠী এত বড় আন্দোলন সামলাতে হয়নি বলেই অনুমান বিশ্লেষকদের। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মতো দেশ প্রকাশ্যে যেভাবে এই আন্দোলন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছে, তাতে অনেকের ধারণা – আয়াতুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বাধীন শাসকগোষ্ঠীর জন্য এবারের আন্দোলন সামলানো কঠিন হয়ে যাবে।

এই আন্দোলনের সঙ্গে অনেকে ১৯৭৯ সালের ইরান বিপ্লবেরও মিল পাচ্ছেন। এবারের মতো সেবারও সব বর্ণ-ধর্ম-জাতি নির্বিশেষে সবাই রাস্তায় নেমেছিলেন শাহ পরিবারের বিরুদ্ধে। শেষ পর্যন্ত সেই আন্দোলনে পতন হয় শাহদের। কিন্তু সবার মিলিত আন্দোলন এরপর সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রূপ নেয় কট্টরপন্থী ইসলামী শাসনে।

কেন, কীভাবে ১৯৭৯ সালের সেই আন্দোলন হলো, আন্দোলনের পর কীভাবে ক্ষমতা আবার একমূখী হয়ে গেল – সেই ইতিহাস জেনে নেওয়া যাক।  

 

ইরান ১৯৭৯ বিপ্লব   

শুরু হয়েছিল এক রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ হিসেবে। শেষ পর্যন্ত তা রূপ নেয় এক ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্রে — এবং এমন এক রাজনৈতিক ব্যবস্থায়, যার প্রভাব আজও মধ্যপ্রাচ্যের হিসাব-নিকাশ বদলে দিচ্ছে।

১৯৭০–এর দশকের শেষ দিকে, মোটা দাগে ইরানকে সফল একটি দেশ বলেই মনে হচ্ছিল। তেলের অর্থ আসছিল, রাস্তা-মহাসড়ক আর কারখানা তৈরি হচ্ছিল, আর দেশটির সে সময়ের শাসক মোহাম্মদ রেজা শাহ পাহলভি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলছিলেন — ইরানকে তিনি আধুনিক বৈশ্বিক শক্তিতে পরিণত করবেন।

কিন্তু প্রদীপের নিচের অন্ধকারের মতো, এই ‘বাস্তবতা’র নিচেই জমে উঠছিল গণক্ষোভ।

শাহ শাসনকে এক শব্দে বলা যায় - একনায়কতন্ত্র। রাজনৈতিক দল ছিল, তবে সেসবের উপস্থিতি ছিল নামে মাত্র। নির্বাচন ছিল রাজার নিয়ন্ত্রিত, আর ভিন্নমত দমন করত ভয়ংকর গোপন পুলিশ বাহিনী সাভাক। সে সময় আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো নিয়মিতভাবে নির্যাতন, সেন্সরশিপ ও সমালোচকদের কারাবন্দী করার খবর প্রকাশ করছিল। অনেক ইরানি মনে করতেন, নিজেদের দেশ সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গা থেকে তাঁরা পুরোপুরি বাদ পড়ে গেছেন।

একই সঙ্গে দ্রুত আধুনিকায়ন সাধারণ মানুষের জীবনকে এলোমেলো করে দেয়। নগরায়ণ, মূল্যস্ফীতি ও বাড়তে থাকা বৈষম্যে ভেঙে পড়ে চিরচেনা সামাজিক কাঠামো। নতুন এক অভিজাত শ্রেণি সমৃদ্ধ হলেও বহু সাধারণ মানুষ পিছিয়ে পড়েন, বা অন্তত নিজেকে পিছিয়ে পড়া মনে করতেন। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল, কিন্তু তার বন্টন ন্যায্যভাবে হয়নি। অনেকের কাছে শাহ মানে ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর এক শাসক, যিনি ইরানের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি বৈরী।

 

কেন মানুষ রাস্তায় নেমেছিল

ইসলামি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে এই আন্দোলন শুরু হয়নি। শুরু হয়েছিল ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার দাবিতে। শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করেছিল সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে। শ্রমিকরা মজুরি ও কাজের পরিবেশ নিয়ে ধর্মঘটে নেমেছিল। আইনজীবী, লেখক ও শিক্ষাবিদরা নাগরিক অধিকারের দাবি তুলেছিলেন। যে প্রভাবশালী ব্যবসায়ীরা ইরানি সমাজে দীর্ঘদিন প্রভাবশালী ছিলেন, তাঁরা ক্ষুব্ধ ছিলেন রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনৈতিক বিভাজনের কারণে। ধর্মীয় নেতারা সমালোচনা করেছিলেন নৈতিক অবক্ষয় ও বিদেশি প্রভাবের।

সব গোষ্ঠীরই কিছু না কিছু ক্ষোভ ছিল। সব ক্ষোভ প্রতিটি গোষ্ঠীকে মিলিয়ে দিল এক জায়গায় - শাহবিরোধিতায়।

১৯৭৮ সালে আসে একটি মোড় ঘোরানো মুহূর্ত — যখন বিক্ষোভে গুলি চালানো হয় এবং মানুষ নিহত হয়। প্রতিটি মৃত্যুর পর শিয়া ঐতিহ্য অনুযায়ী শোকানুষ্ঠান হয়, আর সেগুলোই পরিণত হয় নতুন বিক্ষোভে। সহিংসতা ভয় তৈরি করেনি; বরং আন্দোলনে আরও গতি জুগিয়েছে।

ধর্মঘটে অচল হয়ে পড়ে অর্থনীতি। তেলশ্রমিকেরা কাজ বন্ধ করলে রাষ্ট্রের আর্থিক কাঠামো নড়বড়ে হয়ে যায়। ১৯৭৮–এর শেষ দিকে ইরানের শহরগুলোতে লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। রাজনীতির কেন্দ্র তখন হয়ে ওঠে রাজপথ।

কারা জড়িত ছিল এবং কেন সেই জোট গুরুত্বপূর্ণ

এই বিপ্লব কোনো একক গোষ্ঠীর নেতৃত্বে হয়নি। ধর্মনিরপেক্ষ জাতীয়তাবাদী, মার্ক্সবাদী সংগঠন, উদারপন্থী সংস্কারক, ইসলামপন্থী আলেম, শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও ব্যবসায়ী — সবাই এতে অংশ নিয়েছিল। ইরানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তাঁদের ভাবনাগুলো ছিল একে অপরের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন।

তবে একজন ব্যক্তি হয়ে ওঠেন ঐক্যের প্রতীক — আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি।

১৯৬০–এর দশক থেকেই নির্বাসনে থাকা খোমেনি দীর্ঘদিন শাহের শাসনের কড়া সমালোচক ছিলেন। বিদেশ থেকে — প্রথমে ইরাক, পরে ফ্রান্স — তাঁর বক্তৃতা, ক্যাসেট, টেপ ও লিফলেট আকারে গোপনে ইরানে ঢুকত। তাঁর বার্তা ছিল - শাহ অবৈধ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও ইসলামবিরোধী। আপসহীন পরিচিতি পাওয়া এক নেতার সরল বার্তা, যা সহজেই আন্দোলনকারীদের মনে গেঁথে গিয়েছিল।

ধর্মপ্রাণ ইরানিদের কাছে খোমেনি ছিলেন কর্তৃত্ব ও স্পষ্টতার প্রতীক। ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধীদের কাছে তিনি ছিলেন এক শক্তিশালী মিত্র, যিনি সাধারণ শত্রু অর্থাৎ শাহের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কাজে লাগতে পারেন। অনেকেই বিশ্বাস করেছিলেন, রাজতন্ত্র পতনের পর রাজনীতি থেকে সরে যাবে ধর্ম।

এই বিশ্বাসই পরে হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় ভুল।

বিদেশি প্রভাবও গুরুত্বপূর্ণ ছিল। শাহ ছিলেন ওয়াশিংটনের ঘনিষ্ঠ মিত্র — সেখান থেকে সামরিক, রাজনৈতিক ও গোয়েন্দা সহায়তা পেতেন। এতে জনমনে ক্ষোভ জমেছিল, বিশেষ করে ইরানের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পশ্চিমা হস্তক্ষেপের দীর্ঘ স্মৃতি থেকে – প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেককে আমেরিকার সিআইএ এবং ব্রিটেনের এমআই৬-এর হস্তক্ষেপে প্রধানমন্ত্রীত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার কথা তো ততদিনে সর্বজনবিদিত। অথচ মোসাদ্দেকের ‘অপরাধ’ কী ছিল? ১৯৫১ সালে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি ইরানের তেল শিল্প জাতীয়করণের পথে হেঁটেছিলেন, যা ব্রিটেনের স্বার্থের বিরুদ্ধে গেছে। ব্যস, ১৯৫৩ সালে সিআইএ ও এমআই৬-এর সাহায্যে হয়ে যাওয়া এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হলো মোসাদ্দেককে। যার মাধ্যমে ততদিনে শারীরিকভাবেও দুর্বল হয়ে পড়া, মানসিকভাবে আগে থেকেই পশ্চিমাদের মুখাপেক্ষী রাজা বা ‘শাহ’ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির স্বৈরশাসন আরও পোক্ত হয়।

তবে ১৯৭৯ সালের বিপ্লব বিদেশি শক্তির নির্দেশে হয়নি। বা অন্তত বিদেশি শক্তি মূল কারিগরদের একটি হয়ে ওঠেনি। সেই আন্দোলন মূলত ইরানের ভেতরের গণক্ষোভ থেকেই গড়ে উঠেছিল।

 

রাজতন্ত্রের পতন

১৯৭৯ সালের জানুয়ারিতে গণআন্দোলন সামলাতে না পারা শাহ ইরান ছাড়েন। সরকারিভাবে কারণ দেখানো হয়, চিকিৎসার জন্য যাচ্ছেন। তিনি আর কখনো ফিরে আসেননি।

তাঁর বিদায়ের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পুরোনো ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। সেনাবাহিনী নিরপেক্ষতা ঘোষণা করে। বিপ্লবী কমিটিগুলো পাড়া-মহল্লার নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৯৭৯ সালের ১ ফেব্রুয়ারি খোমেনি তেহরানে ফেরেন — ইরানের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় জনসমাবেশগুলোর একটির মধ্যে দিয়ে। এর কিছুদিনের মধ্যেই রাজতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটে।

এপ্রিল মাসে একটি গণভোটে একটাই প্রশ্ন রাখা হয় — ইসলামি প্রজাতন্ত্র: হ্যাঁ নাকি না? সরকারি ফলাফলে বিপুল সমর্থন দেখা গেলেও সেখানে কোনো বিকল্প পথ রাখা হয়নি।

একটি নতুন রাষ্ট্র জন্ম নিচ্ছিল—কিন্তু তার চূড়ান্ত রূপ তখনো স্থির হয়নি।

 

বিপ্লবের পর কী ঘটেছিল

পরবর্তী মাসগুলো ছিল তীব্র রাজনৈতিক সংঘাতের সময়। শুরুর দিকে বিতর্কের সুযোগ ছিল। পত্রপত্রিকা প্রকাশিত হচ্ছিল। রাজনৈতিক দলগুলো প্রকাশ্যে সংগঠিত হচ্ছিল। নারী, সংখ্যালঘু ও ধর্মনিরপেক্ষ কর্মীরা বিশ্বাস করতেন — এই বিপ্লব তাঁদেরও।

কিন্তু ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে যাচ্ছিল। মসজিদ ও বিপ্লবী প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে সংগঠিত ইসলামপন্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেক দ্রুত ও কঠোরভাবে এগোতে থাকে। গঠিত হয় বিপ্লবী গার্ড। বিপ্লবী আদালতে দ্রুত বিচার হয়। সাবেক কর্মকর্তাদের ফাঁসি দেওয়া হয়।

১৯৭৯–এর শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস দখলের ঘটনা বিপ্লবের গতিপথ আরও কঠোর করে তোলে। এই সংকট মধ্যপন্থীদের কোণঠাসা করে, কট্টর আলেমদের শক্তিশালী করে এবং ভিন্নমতকে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ হিসেবে তুলে ধরে।

নতুন সংবিধানে ভেলায়াত-ই ফকিহ, অর্থাৎ সর্বোচ্চ আলেমের শাসন—নীতির মাধ্যমে আলেমদের কর্তৃত্ব প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পায়। ধর্মনিরপেক্ষ ও বামপন্থী গোষ্ঠীগুলো ধীরে ধীরে নিষিদ্ধ হয়, দমন করা হয় বা নির্বাসনে যেতে বাধ্য হয়।

যে বিপ্লব স্বাধীনতার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটিই শেষ পর্যন্ত আরেক ধরনের একনায়কতন্ত্র চাপিয়ে দেয়।

 

আজকের ইরানকে কীভাবে গড়ে দিয়েছে এই বিপ্লব

চার দশকেরও বেশি পেরিয়ে গেলেও, এখনো ইরানকে সংজ্ঞায়িত করে ১৯৭৯ সাল।

ইসলামি প্রজাতন্ত্র টিকে আছে যুদ্ধ, নিষেধাজ্ঞা, অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা ও আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতার মধ্যেও। তারা শক্তিশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও আঞ্চলিক প্রভাব গড়ে তুলেছে। একই সঙ্গে নিজেদের জনগণের — বিশেষ করে নারী ও তরুণদের — বারবার চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে সামাজিক বিধিনিষেধ, রাজনৈতিক বঞ্চনা ও অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে।

এই বিপ্লব একজন রাজাকে উৎখাত করতে পেরেছিল। কিন্তু বহু অংশগ্রহণকারীর আশা করা বহুমাত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে পারেনি। ইতিহাসের বিদ্রূপ এখানেই — গণমানুষের অংশগ্রহণে জন্ম নেওয়া একটি আন্দোলন থেকে শেষ পর্যন্ত শাসনের ক্ষমতা একদিকেই চলে গেছে।

তবু ন্যায়বিচার, সার্বভৌমত্ব, পরিচয় ও ক্ষমতা নিয়ে ১৯৭৯ সালে তোলা প্রশ্নগুলো আজও ইরানের রাস্তায় ফিরে ফিরে আসে। সম্ভবত এটাই এই বিপ্লবের সবচেয়ে স্থায়ী প্রাপ্তি। একমাত্রও কি?

কয়েক সপ্তাহের নাটকীয়তার পরেও নিজেদের দূরত্ব দূর করতে পারেনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি যুদ্ধ বন্ধে সমঝোতার মাঝেও দুই দফা হামলা-পাল্টা হামলায় জড়িয়েছে তারা। এমন পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকেরা বলছেন,...
তিন মাসের বেশি সময় ধরে চলা সংঘাতের পর শান্তি চুক্তি করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। যুদ্ধের শুরুতে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ধ্বংস, পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক প্রভাব কমানোর...
ইরান ঘিরে কূটনৈতিক তৎপরতার মধ্যেই আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মধ্যপ্রাচ্য। ট্রাম্পের সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্ন উঠছে, লেবাননে এই হামলার প্রকৃত...
দীর্ঘ ১০০ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকট আর টালমাটাল অর্থনীতি। অবশেষে কি থামতে চলেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত? কী আছে এই চুক্তির খসড়ায়? কেন এই চুক্তিকে কেউ বলছেন ঐতিহাসিক বিজয়, আবার...
বিশ্বকাপ ফুটবল মানেই টানটান উত্তেজনা, শেষ মুহূর্তের নাটক, আর কোটি ভক্তের স্বপ্নপূরণ। কিন্তু এর উল্টো পিঠটাও বড্ড নিষ্ঠুর। সেমিফাইনালের মহারণ শেষে আজ রাত ৩টায় আমেরিকার মায়ামিতে তৃতীয় স্থান নির্ধারণী...
বিশ্বকাপের তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার আগে ফ্রান্স কোচ দিদিয়ের দেশম স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, এই ম্যাচ খেলতে তাদের তেমন কোনো আগ্রহ নেই। তবে জাতীয় দলের দায়িত্বের...
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ। ২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে...
আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ এবং পর্যায়ক্রমে সারা দেশে আন্তর্জাতিক মানের ১০টি স্পোর্টস ভিলেজ নির্মাণ করা হবে বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী...
লোডিং...
পঠিতনির্বাচিত

এলাকার খবর