আগুনের ক্ষতি কমাতে প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিয়মিত ফায়ার ড্রিল বা প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁরা বলছেন, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের স্থাপনায় আগুন নেভানোর পর্যাপ্ত উপকরণ ও এর ব্যবহারে দক্ষ জনবল থাকাটাও জরুরি।
গত ডিসেম্বরে সচিবালয়ে আগুন লাগে রাত দেড়টার দিকে। আগুন লাগার আধা ঘণ্টার মধ্যেই তা ছড়িয়ে পড়ে। শনাক্ত করার উপকরণ না থাকায় আগুন লাগার সংকেত পাওয়া যায়নি। এই আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
গত নভেম্বরে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে একটি টিস্যু কারখানায় আগুন লাগে। প্রতিষ্ঠানটির নিজস্ব ফায়ার ফাইটার থাকার পরেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি।
সচিবালয় ও সোনারগাঁওয়ে টিস্যু কারখানায় আগুন নেভানোর সকল সুবিধা থাকার পরেও তা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য, সেখানকার ফায়ার ফাইটারদের প্রশিক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার অভাবকে দায়ী করছেন বিশ্লেষকেরা।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতি কমানোর বিষয়ে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপরেশন) তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আগুন লাগলে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সেফটি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়ন জরুরি। এ ছাড়া আগুন নেভাতে প্রতিটি ভবনে থাকতে হবে প্রয়োজনীয় উপকরণ। সেই সঙ্গে তা ব্যবহারের প্রশিক্ষণ ও দিতে হবে ভবনের বাসিন্দাদের।
অগ্নি নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ইয়াসির আরাফাত খান বলেন, ঘটনা তদন্তে করা সরকারি-বেসরকারি কমিটিগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়ন না করায় অগ্নি দুর্ঘটনা কমানো যাচ্ছে না।