আজ ২৫ বৈশাখ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। কবির স্মৃতিবিজড়িত নওগাঁর পতিসর, কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ও সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বর্ণাঢ্য আয়োজনে পালিত হচ্ছে দিনটি। শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় কবিকে স্মরণ করছেন তাঁর ভক্ত-অনুরাগীরা।
রবীন্দ্র অনুরাগীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে নওগাঁর পতিসর কাচারিবাড়ি প্রাঙ্গণ। বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আলোচনা সভায় তিনি বলেন, ‘রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একজন মহান দার্শনিক ও মানবতাবাদী চিন্তক। এ অঞ্চলের কৃষকদের জীবনমান উন্নয়নে তিনি কৃষি ব্যাংক ও যান্ত্রিক কৃষির যে উদ্যোগ নিয়েছিলেন, বর্তমান সরকারও সেই কৃষিবান্ধব নীতি অনুসরণ করে কাজ করছে।’
এদিকে, কবির স্মৃতিধন্য কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতেও শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী জাতীয় অনুষ্ঠানমালা। এর উদ্বোধন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। কুষ্টিয়া শহরের টেগোর লজে মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্বালনের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।
সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর কাচারি বাড়িতেও শুরু হয়েছে তিনদিনব্যাপী রবীন্দ্র উৎসব। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ‘তিনদিনব্যাপী এ উৎসবে দিনব্যাপী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও মেলার আয়োজন করা হয়েছে।’
নাচ, গান, কবিতা আবৃত্তি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে কবির স্মৃতিধন্য বিভিন্ন অঞ্চলে বইছে উৎসবের আমেজ। রবীন্দ্রপ্রেমীদের প্রত্যাশা, শুধু নির্দিষ্ট কোনো দিনে নয়, কবির সৃষ্টিকর্মের সৌন্দর্য ছড়িয়ে থাকুক প্রতিদিনের জীবন ও চর্চায়।