পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির কারণে আবারও বাড়ছে তিস্তার পানি। এর মধ্যে নদী-তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরগুলোতে পানি ঢুকতে শুরু করেছে।
নীলফামারীর ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমা ১০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গতরাতেই তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি কপাট খুলে দেয়া হয়।
কুড়িগ্রামে তিস্তা ছাড়াও দুধকুমার ও ধরলা নদীর পানি বাড়ছে। দেখা দিয়েছে ভাঙন আতঙ্ক। এর মধ্যে তলিয়ে গেছে চীনাবাদাম, পাট ও মরিচসহ বিভিন্ন ফসলি জমি। ক্ষতির আশঙ্কায় অনেক কৃষক অপরিপক্ব ফসল ঘরে তুলছেন।
লালমনিরহাটেও বন্যা আতঙ্কে নদীপাড়ের মানুষ। আগামী ৪৮ ঘণ্টায় উত্তরাঞ্চলের নদ-নদীর পানি আরও বেড়ে স্বল্পমাত্রার বন্যা দেখা দিলেও স্থায়ী বন্যার আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন পাউবো কর্মকর্তারা।
তিস্তা পাড়ের এক বাসিন্দা বলেন, এরকম ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন আমরা দুই–তিনবার হয়েছি।
এক কৃষক বলেন, হুট করে উজান থেকে পানির ঢল এসে আমাদের রাস্তাটা ভেঙে গেছে।
আরেক কৃষক বলেন, এখনো আমার বাদাম পানির নিচে আছে। মনে হয়, ১৩ ফুট নিচে আছে।