পিরোজপুরের নেছারাবাদে বিএনপি অফিস ভাঙচুর ও আগুন সন্ত্রাসের অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৮ নেতাকর্মীর থানায় মামলা হয়েছে। বুধবার রাতে উপজেলা যুবদলের সদস্য মো. আসাদ বাদী হয়ে স্বরূপকাঠি থানায় এ মামলা দায়ের করেন। এ ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
গ্রেপ্তার হওয়া আসামীরা হলেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪০), যুবলীগ নেতা মো. হুমায়ুন কবির (৫৬), গুয়ারেখা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. মিন্টু ফকির (৪৫) এবং আটঘর-কুড়িয়ানা ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ও উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. মুহিদ মাহামুদ (৩৫)।
মামলায় উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন নেছারাবাদ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম রিপন, যুবলীগ নেতা মো. মাশরুল আলম রাজীব, স্বাধীন আইচ সরকার, স্বরূপকাঠি পৌর ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক মো. তানজিম আহমেদ। এ ছাড়া আসামীদের মধ্যে যুবলীগ, ছাত্রলীগ এবং আওয়ামীপন্থী জনপ্রতিনিধিরা রয়েছেন।
মামলার অভিযোগের বিষয়ে স্বরূপকাঠি পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. গোলাম কবির বলেন, ‘শুনেছি নেতাকর্মীদের নামে বিএনপির অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে একটা মামলা হয়েছে। তবে ওই অভিযোগের ব্যাপারে আমার কিছুই জানা নেই। মামলার বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।’
স্বরূপকাঠি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বনি আমিন জানান, এক বছর আগে বিএনপির অফিস ভাঙচুর, আগুন সন্ত্রাস ও বিএনপি নেতা–কর্মীদের মারধরের অভিযোগে ৩৮ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২৫০-৩০০ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এদের মধ্যে ৪ আসামিকে গ্রেপ্তার করে পিরোজপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।