বিদ্যুৎ বণ্টন ব্যবস্থাপনায় দুর্বলতা ও নষ্ট জেনারেটরের কারণে ভোলায় চাহিদা অনুযায়ী বিদ্যুৎ পাচ্ছেন না গ্রাহকেরা। জেলায় উৎপাদিত বিদ্যুতের ৩ ভাগের ১ ভাগও মিলছে না। প্রশাসন জানিয়েছে, সমস্যা সমাধানে দুটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের নির্মাণকাজ হাতে আছে।
দ্বীপ জেলা ভোলায় প্রতিদিন শহরে গড়ে এক ঘণ্টা এবং গ্রামাঞ্চলে তিন থেকে চার ঘণ্টা পর্যন্ত থাকছে না বিদ্যুৎ। অথচ ১৩০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে গ্যাস ভিত্তিক ৩টি বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদন করছে সাড়ে ৪০০ মেগাওয়াট। জেলায় বর্তামানে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড ও পল্লী বিদ্যুতের মাধ্যমে বোরহানউদ্দিন থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ‘আমাদের ভোলাতে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন হয় তার তিন ভাগের এক ভাগও আমরা পাই না। আমাদের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রীডেও যায় অথচ আমরা পাইনা।’
আরেক বাসিন্দা বলেন, আমাদের পোলাপান লেখাপড়া করতে পারে না। তাদের সামনে পরীক্ষা, পড়াশোনা যদি না করতে পারে তাহলে এরা কীভাবে পরীক্ষা দিবো!’
এদিকে জেলার ৩৪ দশমিক পাঁচ মেগাওয়াট ক্ষমতার জেনারেটরটি ১০ মাসের বেশি সময় ধরে বন্ধ। এ বিষয়ে কথা বলতে রাজি হয়নি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী সংস্থা ভেঞ্চার এনার্জি রিসোর্সেস লিমিটেড। জেলা প্রশাসক জানান, সদর ও চরফ্যাশনে দুটি উপকেন্দ্র নির্মাণকাজ শেষ হলে সমস্যা কেটে যাবে।
ভোলার জেলা প্রশাসক আজাদ জাহান বলেন, ‘আমাদের দুইটি সাব স্টেশন হওয়ার কথা রয়েছে একটি চরফেশনে অন্যটি ভোলা সদরে। এই সাবস্টেশন দুটি সম্পন্ন হয়ে গেলে আমাদের আর বিদ্যুৎ পেতে খুব একটা সমস্যা হবে না, ভোগান্তিও থাকবে না।’