পর্যাপ্ত অবকাঠামো না থাকায় গাছের চারা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারছে না বরিশালের হর্টিকালচার সেন্টার। সেখানে উৎপাদন হচ্ছে চাহিদার অর্ধেকেরও কম চারা। তাই বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচি সফল করতে প্রয়োজনীয় গাছের চারার চাহিদা পূরণেও ব্যর্থ হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।
১৯৬১ সালে বরিশালের রহমতপুরে ৫০ একর জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয় হর্টিকালচার সেন্টার। তবে, শুধু চারা রক্ষার পর্যাপ্ত শেডের অভাবে ৬৫ বছরেও লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি।
প্রতি বছর ৩ লাখ চারা উৎপাদন ও বিক্রির সক্ষমতা থাকলেও এক লাখের বেশি চারা উৎপাদন করা যাচ্ছে না। ফলে, দূর দুরান্তের অনেক ক্রেতাও চারা পাচ্ছেন না।
হর্টিকালচার সেন্টারের শেডগুলো অনেক ছোট হওয়ায় মাটি বানানো থেকে শুরু করে চারা উৎপাদনের কাজ ঠিকমতো করতে পারে না শ্রমিকরা। মাঝেমধ্যেই পালাক্রমে কাজ করতে হয় শ্রমিকদের।
বরিশাল হর্টিকালচার সেন্টারের উপপরিচালক মো. অলিউল আলম বলেন, ‘সেন্টারের নেট হাউজ ও শেডের সংখ্যাও প্রয়োজনের তুলনায় কম। ৮০ শতাংশ জায়গার ওপর শেড নামমাত্র। এ অবস্থায় সদ্য গজানো চারাও খোলা জায়গায় রাখতে বাধ্য হচ্ছে কর্তৃপক্ষ।’
খোলা জায়গায় রাখায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রায় ১৭ হাজার চারা ও কলম নষ্ট হয়ে গেছে।