দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানের্সবাগে এক বাংলাদেশি ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। তাঁদের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগের অর্জুনতলা ইউনিয়নে। দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানের্সবাগ শহরে স্থানীয় সময় রোববার সন্ধ্যার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন– উপজেলার অর্জুনতলা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর মানিকপুর গ্রামের ইসলাম পাটোয়ারী বাড়ির মো. হোসেন ভূঞার ছেলে মো. মহিন ভূঞা (৩২) ও তাঁর স্ত্রী রুনা আক্তার (২২)। রুনা একই উপজেলার কেশারপাড় ইউনিয়নেরে জমাদার বাড়ির মো. লিটনের মেয়ে।
অর্জুনতলা ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য (মেম্বার) আব্দুর জব্বার এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘গতকাল সন্ধ্যার দিকে অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীরা আফ্রিকার জোহানের্সবাগে মহিন ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে গুলি করে। ওই সময় তারা স্বামী-স্ত্রী ঘটনাস্থলে মারা যান। পরে স্থানীয়রা তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন। তখন ভাগ্যক্রমে তাঁদের সঙ্গে থাকা দুই সন্তান বেঁচে যায়। রোববার দিবাগত রাত ২টার দিকে আফ্রিকায় থাকা নিহতের ছোট দুইভাই বিষয়টি দেশের বাড়িতে জানায়। প্রাথমিকভাবে এর থেকে বেশি কিছু আমরা এখনো জানতে পারিনি। ধারণা করা হচ্ছে পূর্ব শক্রতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।’
নিহতের ছোট ভাই মো. মফিজ ভূঞা বলেন, ‘আমার বড় ভাই মহিন ২০০৮ সালে প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় যায়। এরপর ছয় বছর আগে তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে যায়। আমার ভাবি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল। সন্ত্রাসীরা ভাবিসহ আমার বড় ভাইকে গুলি করে হত্যা করেছে।’
নিহতদের মরদেহ দেশে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করেছে পরিবার।
সেনবাগ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিসান বিন মাজেদ জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। পরিবারের পক্ষ থেকে নিহতদের মরদেহ বাংলাদেশে আনার বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।