নড়াইল সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় বাসের সঙ্গে মরদেহবাহী একটি অ্যাম্বুলেন্সের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে জাহানারা বেগম (৫৫) ও অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর হোসেন (৩২) নিহত হয়েছেন। নিহত জাহানারা ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল থেকে স্বামী ইসমাইল হোসেনের মরদেহ নিয়ে যশোরে ফিরছিলেন। এ ঘটনায় আরও পাঁচজন আহত হয়েছেন।
আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নড়াইল-ঢাকা মহাসড়কের বাদশার গ্যারেজ বালিয়াডাঙ্গা এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে। আহতদের নড়াইল জেলা হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নিহত জাহানারা বেগমের বাড়ি যশোরের মাহিদিয়া গ্রামে এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর হোসেন লক্ষীপুর জেলার পূর্ব চককলাপোতা গ্রামের আ. হাশেমের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের সাব ইন্সেপেক্টর আবু তাহেরের বাবা চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকা পুলিশ হাসপাতালে মারা যান। বুধবার সকালে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ হাসপাতাল থেকে স্বামী ইসমাইল হোসেনের মরদেহ নিয়ে যশোরের মাহিদিয়া গ্রামে ফিরছিলেন স্ত্রী জাহানারা বেগমসহ পরিবারের স্বজনেরা। এ সময় নড়াইলের কালনাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে জাহানারা বেগম নিহত হন এবং আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক অ্যাম্বুলেন্স চালক আকবর হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অজয় কুমার কুন্ডু বলেন, দুর্ঘটনা কবলিত বাস ও অ্যাম্বুলেন্স জব্দ করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।



