রাঙামাটির বিলাইছড়ি উপজেলার গুলিবিদ্ধি ইউপি চেয়ারম্যান আতোমং মারমা মারা গেছেন। চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১২টার দিকে তিনি মারা যান। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিলাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান বীর উত্তম তঞ্চঙ্গা আতুমং মারমা।
গত ২১ মে রাতে সন্ত্রাসীদের গুলিতে শরীর ও পায়ে একাধিক স্থানে গুলিবিদ্ধ হন বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতুমং মারমা। পরদিন ২২ মে প্রথমে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, সেখান থেকে বান্দরবান সদর হাসপাতাল, এরপর অবস্থার অবনতি হলে আতুমংকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর অপারেশন হয়। এরপর থেকে আইসিইউতে রাখা হয় আতুমং মারমাকে।
ঘটনার দিন (২১ মে) বিলাইছড়ি উপজেলার বড়তলি ইউনিয়নের বড়থলি মারমা পাড়ায় আতোমং মারমা তাঁর চাচার বাড়িতে বেড়াতে যান। সেদিন রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাড়ির উঠানে হাঁটার সময় অতর্কিতে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়া হয়। পরে বাড়ির লোকজন ও স্থানীয়রা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। চেয়ারম্যান আতোমং মারমার শরীরে হাতে ও পায়ে গুলি লাগে।
বিলাইছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আক্তার হোসেন বলেন, বড়থলি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুলিবিদ্ধ হয়েছে। তাঁকে প্রথমে রুমা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরে বান্দরবান জেলা সদর হাসপাতালে এবং সেখান থেকে বুধবার চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
ওসি বলেন, ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, কুকিচিন সন্ত্রাসীরা এই হামলা চালাতে পারে। তবে এখন পর্যন্ত হামলার কারণ ও হামলাকারীদের বিষয়ে নিশ্চিত কিছু জানা যায়নি।