সংস্কারের অভাবে খাগড়াছড়ি-পানছড়ির ২৫ কিলোমিটার পাহাড়ি সড়ক ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে দুর্গম পাহাড়ে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছেন কয়েক লাখ মানুষ। পাশাপাশি বেড়েছে দুর্ঘটনার শঙ্কা। এদিকে নির্দিষ্ট সময়ে কাজ শেষ করতে না পারলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির পানছড়ির ভাঙা সড়ক দিয়ে প্রতিদিন গড়ে সাত শতাধিক পণ্য ও যাত্রীবাহী যানবাহন চলাচল করে।
দীর্ঘদিন মেরামতের অভাবে সড়কটি হয়ে পড়েছে চলাচলের অনুপযোগী। কোথাও আবার সড়কের চিহ্নও নেই। ভারী ট্রাকের কারণে সড়কের অবস্থা আরও বেহাল। দূর পাহাড়ে চলাচল ও মালামাল পরিবহনে নিত্য দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন লাখ লাখ মানুষ।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সড়কটিতে এখন চলাচলের কোনো সুযোগ নেই। পুরো সাড়ে ১৫ কিলোমিটার সড়কের সাড়ে ১৪ কিলোমিটারই ভাঙা। মোটর সাইকেলও চালানোর মতো ব্যবস্থা নেই। একটা অসুস্থ রোগী নিয়ে গেলে রাস্তায় মারা যাবে।
দুর্ভোগ লাঘবে দ্রুত সড়কটি সংস্কারের দাবি জানিয়েছে পার্বত্যবাসী। অন্যথায় ভারী বৃষ্টিতে ভোগান্তি আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে।
আরেক স্থানীয় বলেন, ‘একটি গর্ত পার করলে সামনে আরও ১০টি গর্ত পরে। আমাদের দুর্ভোগের সীমা নাই। দ্রুত রাস্তা ভালো করা হোক।’
এদিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না করলে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সড়ক ও জনপদ বিভাগ।
খাগড়াছড়ি সড়ক ও জনপদ বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী তৌহিদুল বারী বলেন, ‘এর মধ্যে কিছুদূর কাজ হয়েছে। বর্তমানে কাজ বন্ধ আছে। আমরা ঠিকাদারকে একাধিকবার চিঠি দিয়েছি। সঠিকভাবে কাজ শেষ না করলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
খাগড়াছড়ি-পানছড়ি সড়ক সংস্কারে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৩ কোটি টাকা।