ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়া সুপ্রদীপ চাকমাকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা করায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন স্কুল-কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা। ‘আমরা আলাপ চাই, আলাপ হোক’- এই স্লোগানকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান শহরে প্রেসক্লাবের সামনে এক প্রতিবাদ সমাবেশে এই অভিযোগ করেন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীরা।
প্রতিবাদ সমাবেশে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন, ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এ ব্যাপারে পাহাড়ে কোনো অংশীজনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করা হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রাম একটি বিশেষায়িত অঞ্চল হিসেবে যাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে সেখানে পাহাড়ে মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেনি। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমাকে বাদ দিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে গ্রহণযোগ্য কাউকে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
সভায় উকিংওয়ং মারমা সভাপতিত্বে এবং উসিংম্যা মারমা সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- আইনজীবী উবাথোয়াই মারমা, মারমা সম্প্রদায়ের অংশৈসিং মারমা, চাকমা সম্প্রদায়ের এডিশন চাকমা, তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের বিটন তঞ্চঙ্গ্যা, ম্রো সম্প্রদায়ের চংলক ম্রো, খেয়াং সম্প্রদায়ের হিরো খেয়াং, খুমী সম্প্রদায়ের সইনাং খুমীসহ প্রমুখ।
ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক রাষ্ট্রদূত ও পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান সুপ্রদীপ চাকমা। গত ১১ আগস্ট শপথ গ্রহণ করেন তিনি।