নিম্নাঞ্চল ছাড়া সবকটি এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে বন্যা কবলিত এলাকা। নিম্নাঞ্চল ছাড়া সবকটি এলাকা থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ফুটে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির চিত্র। তবে বন্যা কবলিত অনেক এলাকায় খাদ্য, নিরাপদ পানির সংকট ও বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় বানভাসি মানুষের ভোগান্তি এখনও কমেনি।
সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যায় প্লাবিত হওয়া পরশুরাম, ফুলগাজী ও ছাগলনাইয়া উপজেলার কোথাও কোথাও এখনও পানি রয়েছে। সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক না হওয়ায় ট্রলি ও ট্রাকে করে গন্তব্যে পাড়ি দিচ্ছে মানুষ। দাগনভূঞা ও সোনাগাজীতে উপজেলায় বন্যার পানি কমলেও কিছু স্থানে মানুষজন এখনও পানিবন্দি রয়েছে। এ ছাড়া সোনাগাজী ও ফেনী সদর উপজেলার কিছু এলাকায় কোথাও হাঁটু পানি আবার কোথাও কোমর পানি রয়েছে।
জেলার অনেক নিম্নাঞ্চলে এখনও পানি আছে। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনজানা গেছে, ফেনী জেলায় বন্যায় জেলায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারমধ্যে দেড়লাখ মানুষকে বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। দুর্গম এলাকায় হেলিকপ্টারে করে খাবার পাঠানো হচ্ছে। জেলায় একটি এবং ৬ উপজেলায় ৬টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়া বেসরকারি সাতটি হাসপাতালে মেডিকেল ক্যাম্প চালু রয়েছে।
বন্যা কবলিত এলাকার এক বাসিন্দা বলেন, পানি ওঠার সময় তো একবারেই উঠে গেছে, কিন্তু এখন ধীরে ধীরে নামছে। যদিও ঘরে এখনও কোমর পরিমাণ পানি, কিন্তু তারপরেও আস্তে আস্তে সবকিছু স্বাভাবিক হচ্ছে।
পানি কমার পর অনেক জায়গায় জেগে উঠেছে রাস্তা। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনআরেক নারী বলেন, ‘হঠাৎ করে পানি ঢুকে পড়ে। একটা জামা পরে বের হইছি, কিছুই নিতে পারি নাই। আমাদের কোনো কুল নাই। শুধু ভাসছি আর ভাসছি আমরা।’