ফেনীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নিহত ফেনী কলেজের শিক্ষার্থী ইশতিয়াক আহম্মেদ শ্রাবনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মৃত্যুর ৩৭ দিন পর কবর থেকে তোলা হয়েছে।
বুধবার বিকেলে ফুলগাজী উপজেলার আনন্দপুর ইউনিয়নের কালির হাট বাজার সংলগ্ন পারিবারিক কবরস্থান থেকে শ্রাবনের মরদেহ উত্তোলন করে পুলিশ। পরে মরদেহটি ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ পুলিশের একটি দল।
মরদেহ উত্তোলনকারীদের সহযোগীদের একজন মো. ইউনুছ। তিনি জানান, ৩৭ দিন লাশ কবরে থাকায় মরদেহ প্রায় পঁচে গেছে। তবে পিঠে ৫টি গুলির চিহৃ আছে। বাকিটা ময়নাতদন্ত শেষে রিপোর্টে বোঝা যাবে।
এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ রুহুল আমিন জানান, ‘বৈষম্য বিরোধী ছাত্রআন্দোলনে নিহতদের ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। মামলা সুষ্ঠু তদন্ত করতে ও দোষীদের খুঁজে বের করে শাস্তি নিশ্চিত করতে মূলত ময়নাতদন্তের প্রয়োজন।’
তিনি আরও জানান, এ পর্যন্ত ফেনী মডেল থানা ৮টি মামলা হয়েছে। ৪ জনের মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৮ মামলায় ১০ জন আসামি গ্রেপ্তার আছে।
উল্লখ্য, গত ৪ আগস্ট ফেনী মহিপাল ফ্লাইওভারের নীচে ছাত্রজনতা বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনে বিক্ষোভ করতে থাকে। দুপুর দেড়টার দিকে সন্ত্রাসীরা বিক্ষোভকারীদের সমাবেশে গুলি করে। এসময় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায় ইশতিয়াক আহম্মেদ শ্রাবন। সেদিন ভয়ে স্বজনরা ময়নাতদন্ত ছাড়াই পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন করে।