ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে খাগড়াছড়ির মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কার্যক্রম। এতে আতঙ্কে রয়েছেন সেবা নিতে আসা রোগীরা। এ ছাড়া হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটে ব্যাহত হচ্ছে সেবা কার্যক্রম। দ্রুত এসব সংকট সমাধানের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভবন গত শতকের আশির দশকের। জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে বর্তমানে চিকিৎসা কার্যক্রম।
৫০ বছরের পুরনো ভবনের বেশ কয়েকটি জায়গায় দেখা দিয়েছে ফাটল। খসে পড়ছে পলেস্তারা। এতে সবসময়ই আতঙ্কে থাকেন হাসপাতালের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রোগীরা।
রোগীরা বলছেন, হাসপাতালের অনেক জায়গায় ফাটল ধরেছে। বর্ষাকালে এই ফাটল দিয়ে অনেক জায়গায় পানি পড়ে। হাসপাতালে সেবা নিতে এসে সবসময়ই একটা আতঙ্ক থাকে কোন জায়গা থেকে কখন কোন অংশ ভেঙে পড়ে।
৩১ শয্যার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ১৪ জন চিকিৎসক ও ১১ জন নার্স থাকার কথা। তবে কর্মরত আছেন চারজন চিকিসক ও চারজন নার্স।
এ নিয়ে মহালছড়ির স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ধনিষ্ঠা চাকমা বলেন, ‘আমাদের ভবনটি ঊনআশি সালের। ভবনের অবস্থা খুবই খারাপ। ছাদের নিছের অংশ খসে পড়ছে। যে কোনো সময় বড় কোনো ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। তা ছাড়া আমাদের চিকিৎসক-নার্সসহ টেকনিশিয়ানের অভাব। আমরা সপ্তাহে একদিন বাইরে থেকে এক্স-রে করিয়ে নিয়ে আসি।’
জনবল নিয়োগের পাশাপাশি নতুন ভবন নির্মাণে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান সিভিল সার্জন।
এ হাসপাতালে প্রতিদিন অন্তত ৫০০ মানুষ চিকিৎসার জন্য আসেন।
খাগড়াছড়ির সিভিল সার্জন মো. ছাবের বলেন, ‘জেলার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোর মধ্যে মহালছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি অনেক পুরনো। সিনিয়র নার্স ও চিকিৎসকেরা ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় কাজ করছেন। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি।’