খাগড়াছড়ির বিভিন্ন উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ১৬টি ইটভাটা বন্ধ করেছে প্রশাসন। এছাড়া বেশকিছু ইটভাটায় জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার সকালে সদর উপজেলা, দীঘিনালা, মাটিরাঙা ও রামগড়ে অভিযান চালানো হয়। সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনাররা (ভূমি) অভিযানের নেতৃত্ব দেন।
দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মামুনুর রশীদ বলেন, ইটভাটা পরিচালনার জন্য অনুমোদন না থাকায় জেলা প্রশাসকের নির্দেশ মোতাবেক উপজেলার দুইটি ইট ভাটার বন্ধ করা হয়েছে। কর্ণফুলী ব্রিক্স এ ১ লাখ ও ফোর বি ভাটাকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। এ সময় ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে চুল্লির আগুন নিভিয়ে দেয়।
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুজন চন্দ্র রায় বলেন, জেলা সদরের গঞ্জপাড়া, কমলছড়িসহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ব এবিসি, এস অ্যান্ড বি, আরপিএস ও জেএন ব্রিকস বন্ধ করা হয়। এ ছাড়া চার ভাটাকে ৪ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় ইট ভাটার চুল্লি নেভানো হয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মারুফ বলেন, অভিযানে খাগড়াছড়ি সদরে ৪টি, দীঘিনালায় দুইটি, রামগড়ে ৫টি এবং মাটিরাঙা ৫টি অবৈধ ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়। এ সময় ১৬টি ভাটাকে প্রায় ১৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। পাশাপাশি অনুমোদন না থাকায় ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৩ অনুসারে ইটভাটাগুলো বন্ধ ঘোষণা করা হয়। জরিমানা তাৎক্ষণিক আদায় করা হয়। পরে ফায়ার সার্ভিস পানি দিয়ে ইট ভাটার চুল্লির নিভিয়ে দেওয়া হয়।
এর আগে সদ্য বিদায়ী বছরের ২৩ ডিসেম্বর খাগড়াছড়ির ১৫টি ভাটায় মোবাইল কোর্ট চালিয়ে বন্ধ ও জরিমানা আদায় করা। পরে ইটভাটা মালিকেরা এসব ভাটা আবার চালু করলে সোমবারের অভিযানে তা বন্ধ করা হয়।