নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় এক কাতার প্রবাসীকে অপহরণের পর মারধর করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে যুবদলের এক নেতার বিরুদ্ধে। পরে যৌথবাহিনী প্রায় একঘণ্টা পর ওই প্রবাসীকে উদ্ধার করে।
গতকাল বুধবার রাতে উপজেলার বসুরহাট বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় রাতেই ওই প্রবাসীর স্ত্রী কোম্পানীগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।
শামসুল হুদা রাকিব (৩৪) নামে ওই প্রবাসী বসুরহাট পৌরসভার ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মো. শাহজাহানের ছেলে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত যুবদল নেতা মো. পারভেজ (৩৭) একই এলাকার মনিরুল ইসলামের ছেলে এবং একই ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি।
ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী রোজিনা আক্তার থানায় লিখিত অভিযোগ উল্লেখ করেন, তার স্বামী শামসুল হুদা রাকিব বুধবার বিকেলে কাতার থেকে দেশে ফিরেন। এরপর রাত ৯টার দিকে তিনি ঢাকা থেকে বসুরহাট বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছান। সেখানে তার বাবা ও ছোট ভাই আগে থেকে তার অপেক্ষায় ছিলেন। সেখানে যুবদল নেতা পারভেজের নেতৃত্বে রিয়াদ, দুলাল ও লাবিবসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন বাসস্ট্যান্ডে প্রবাসী রাকিব ও তারা বাবা শাহজাহানকে (৫৯) বেধড়ক মারধর করে। একপর্যায়ে ৬ হাজার রিয়াল, ৯০ হাজার টাকা এবং ৬ ভরি স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। পরে রাকিবকে তারা বাসস্ট্যান্ড থেকে বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণ করে অ্যাম্বুলেন্সযোগে নিয়ে যায়।
ভুক্তভোগী পরিবার তাৎক্ষণিক বিষয়টি পুলিশ ও সেনাবাহিনীকে জানালে যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়ে অপহৃত প্রবাসীকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা পারভেজ বলেন, ‘বন্দুক ঠেকিয়ে অপহরণ, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার ছিনতাইয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি। রাকিবকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হলে পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয়।’
কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এসআই মইনুলকে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে। অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’