চাঁদপুরে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় মামা-ভাগনিসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার মতলব দক্ষিণে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় মামা-ভাগনি এবং মতলব উত্তরে অটোরিকশার ধাক্কায় এক শিশুর মৃত্যু হয়।
মঙ্গলবার বিকেলে মতলব সেতুর উত্তর অংশের অ্যাপ্রোচ সড়কে থামানো ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে ফজলে রাব্বি (২৩) ও তাঁর ভাগনি ইশাত (১৬) নিহত হন। রাব্বি মোটরসাইকেল চালানো শেখাতে গিয়ে গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সড়ক বিভাগের মেরামত কাজে ব্যবহৃত ট্রাকে ধাক্কা দেন।
মতলব পৌর এলাকার বাইশপুর বেপারী বাড়ির মো. মিজানুর রহমানের ছেলে রাব্বি মতলব সরকারি ডিগ্রি কলেজের স্নাতক শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন। ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। ইশাত দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা মো. জুয়েল ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে সচিবালয়ের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত। তাদের গ্রামের বাড়ি পটুয়াখালীর কালাইয়া। ঈদ উপলক্ষে মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল ইশাত। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে চাঁদপুর সদর হাসপাতাল থেকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়ার পথে রাত ১২টার দিকে মারা যায়।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক এনামুল হক বলেন, রাব্বিকে হাসপাতালে আনার আগেই তাঁর মৃত্যু হয়। ইশাতকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়।
চাঁদপুরের অ্যাম্বুলেন্স চালক মো. জসিম জানান, ঘটনাস্থল দিয়ে যাওয়ার সময় সড়ক বিভাগের ট্রাক চালক মিজানুর রহমান তাকে থামান। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।
মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
এদিকে মঙ্গলবার দুপুরে মতলব উত্তর উপজেলার সাদুল্ল্যাপুর ইউনিয়নের গাজীর গাছখোলা গ্রামে অটোরিকশার ধাক্কায় আয়াত (৪) নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়। নিহত আয়াত ওই গ্রামের প্রবাসী ওয়াসিম নিলয়ের মেয়ে। ওয়াসিম নিলয় বর্তমানে ইউরোপে অবস্থান করছেন।
মতলব উত্তর থানার পুলিশ পরিদর্শক তদন্ত প্রদীপ মণ্ডল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।



