ডাকসু ও জাকসু নির্বাচন পর্যালোচনা করে চাকসু নির্বাচন করতে চায় কমিশন। বিতর্ক ও সমালোচনা-মুক্ত রাখতে ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে গণনা- সবকিছু লাইভ সম্প্রচারের পরিকল্পনা কর্তৃপক্ষের। সেই সঙ্গে আবাসিক হলের পরিবর্তে কেন্দ্র করা হবে বিভিন্ন অনুষদে।
ডাকসু এবং জাকসুর ভোট গণনা ও ফল প্রকাশের প্রক্রিয়া নিয়ে দেখা দেয় নানা প্রশ্ন। অভিযোগ তোলেন অনেক প্রার্থী।
তবে চাকসু নির্বাচনে বিতর্ক ও সমালোচনা থেকে দূরে থাকতে চায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভোট দেওয়া থেকে গণনা পর্যন্ত পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখতে কেন্দ্রের বাইরে এলইডি পর্দায় সরাসরি সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
চাকসু নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. এ কে এম আরিফুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘আমরা চিন্তা করেছি যে ভোটগ্রহণ শুরু থেকে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে শুরু করে গণনা পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে বাইরে এলইডির ব্যবস্থা করব। এতে কেন্দ্রের ভেতরে কী হচ্ছে সেটা শিক্ষার্থীদের দেখার সুযোগ থাকছে।’
আবাসিক হলের পরিবর্তে অনুষদগুলোতেই করা হচ্ছে ভোটকেন্দ্র। ২৭ হাজার ৬৩৪ জন ভোটারের জন্য কেন্দ্র থাকবে ১৪টি। ভোট গ্রহণ সহজ করতে ও অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের কথা মাথায় রেখেই এমন বন্দোবস্ত, বলছে নির্বাচন কমিশন।
চাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন বলেন, ‘আমাদের প্রার্থীদের সিলেকশন হওয়ার পরে আমরা বুঝবো যে কয়জন প্রার্থীর জন্য কয়টা ব্যালট লাগবে। সে ব্যালটগুলো আমরা ইনডিভিজ্যুয়াল করে ফেলব। ফলে শর্টিং করতে সহজ হবে এবং ভোট গণনা তাড়াতাড়ি হবে।’
সবশেষ চাকসু নির্বাচন হয় ১৯৯০ সালে। ৩৪ বছর পর এবার ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ভোট।