প্রায় ৩৬ বছর পর আগামী বুধবার হতে যাচ্ছে চাকসু নির্বাচন। এতে ভোটার ২৭ হাজার ৫১৩ জন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু)-জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে হারের পর চাকসুতে জয়ের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ছাত্রদল। কঠিন এ পরীক্ষায় ভালো ফল পেতে নানাভাবে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা করছেন তাঁরা। তবে শক্ত প্রতিপক্ষ ছাত্রশিবিরও জয় নিয়ে আশাবাদী। এ দুটি বড় সংগঠনের পাশাপাশি স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও জয়ের জন্য প্রচারে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
এদিকে ভোটারেরা বলছেন, ইশতেহার বিশ্লেষণ করেই ছাত্র প্রতিনিধি বেছে নেবেন তাঁরা।
চাকসু নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৩টি প্যানেলের মধ্যে আলোচনার শীর্ষে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির। প্রচারের শুরু থেকে শিক্ষার্থীদের মন জয়ে ছুটছে এ দুই সংগঠনের প্রার্থীরা।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের ভিপি প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন হৃদয় বলেন, ডাকসু ও জাকসুতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের পরাজয়ের পর চাকসুতে জয় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দিনরাত প্রচারে ব্যস্ত দলের প্রার্থীরা। নির্বাচিত হলে চাঁদাবাজ-দখলদারমুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার আশা আছে।
তবে এই নির্বাচনে ছাত্রদলের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবিরও জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী। শিবির সমর্থিত প্যানেলের জিএস প্রার্থী সাঈদ বিন হাবিব বলেন, সুপরিকল্পিত প্রচারে ভোটারদের মন জয় করার চেষ্টা চলছে। পিছিয়ে নেই স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও।
তবে শিক্ষার্থীরা বলছেন, প্যানেল কিংবা ব্যক্তি দেখে নয় ইশতেহার বিবেচনা করেই ভোট দেবেন তাঁরা।
এদিকে সবকিছু ছাপিয়ে ভোটার উপস্থিতি নিয়ে শঙ্কায় প্রার্থীরা। যদিও শহর থেকে অনাবাসিক শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে বিশেষ ব্যবস্থার কথা জানিয়েছেন চাকসু প্রধান নির্বাচন কমিশনার অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন।