সারা দেশের মতো কক্সবাজারেও জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচার। জেলার ৫৫৬ ভোট কেন্দ্রের মধ্যে ৬০টি ঝুঁকিপূর্ণ। মোট ভোটার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ১৪২ জন। এখানে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে সরগরম ভোটের মাঠ। এবার চারটি আসনেই মুখোমুখি এক সময়ের জোটসঙ্গী বিএনপি ও জামায়াত। দলের শক্ত ঘাঁটিতে জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী বিএনপি নেতা-কর্মীরা। তবে নতুন বাস্তবতায় ভালো সাড়া পাওয়ার আশায় জামায়াত।
পর্যটন নগরী কক্সবাজারের চারটি আসনের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কক্সবাজার-১ আসন। সেখানকার প্রায় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটারের মন জয়ের চেষ্টায় প্রার্থীরা। এবার মূল লড়াই বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমেদ ও জামায়াতের তরুণ নেতা আব্দুল্লাহ আল ফারুকের মধ্যে।
এ আসনে তিনবারের এমপি সালাহউদ্দিন। তাঁর দাবি, এলাকার উন্নয়নে বাকি প্রার্থীদের কোনো পরিকল্পনা নেই। আর সবার জন্য সাম্যের পরিবেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি জামায়াত প্রার্থীর। তিনি বলেন, ‘তাঁরা দেশের জন্য কোনো পরিকল্পনা দিচ্ছে না, কোনো নীতি ঘোষণা করছে না, কোনো কর্মসূচি ঘোষণা করছে না, শুধু বলছে মরলে কীভাবে জান্নাতে যাওয়া যায়।’
কক্সবাজার-১ আসনে জামায়াত ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের ব্যবস্থা করব।’
বাকি তিনটি আসনেও শক্ত অবস্থানে বিএনপির প্রার্থী সাবেক তিন সংসদ সদস্য। এসব আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকায় জয়ের ক্ষেত্রে আত্মবিশ্বাসী তাঁরা। নতুন বাস্তবতায় জয়ের আশায় জামায়াতও।
কক্সবাজার-৩ আসনে বিএনপির প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল বলেন, ‘আমরা কোনো ধরনের হিংসা-বিদ্বেষকে প্রশ্রয় দেব না। মানুষে-মানুষে সম্প্রীতি বজায় রাখব।’
তবে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে চান ভোটারেরা।