ফেনীতে পুলিশের গুলিতে নিহত জাতীয়তাবাদী যুবদলের নেতা মো. হারুনুর রশিদের পরিবারের জন্য নতুন বাড়ি উপহার দিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শহীদ হারুনুর রশিদের পরিবারের দীর্ঘদিনের কষ্ট ও মানবিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরামর্শে এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনের পরিকল্পনায় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উদ্যোগে একটি নতুন বাড়ি নির্মাণের কাজ শুরু হলো।
আজ রোববার সকালে ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদনগর ইউনিয়নের ভোরবাজার এলাকায় শহীদ হারুনের পরিবারের জন্য নতুন বাড়ি নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।
‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ও সংগঠনটির সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের উপস্থিতিতে একটি প্রতিনিধি দল উক্ত বাড়ি নির্মাণের কাজ উদ্বোধন করেন। তারা শহীদ হারুনের পরিবারের প্রতি বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন।
এ সময় ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর উপদেষ্টা আবুল কাশেম বলেন, ‘শহীদদের আত্মত্যাগ কখনোই বৃথা যাবে না। তাদের পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়ানো নৈতিক দায়িত্ব, আর সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমাদের সংগঠন সবসময় নিপীড়িত ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে দাঁড়িয়ে যাচ্ছে।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন– সংগঠনটির সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হাসনাইন নাহিয়ান সজিব, সুইডেন বিএনপি নেতা সায়হাম সিকান্দার পাপ্পু, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহ।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন–ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ বাহার, সদস্যসচিব আলাউদ্দিন আলাল, সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফজলুর রহমান বকুল, সদস্যসচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, জেলা বিএনপি সদস্য বেলায়েত হোসেন বাচ্চু, পৌর বিএনপি সদস্যসচিব মেজবাহ উদ্দিন ভুঁইয়া, জেলা যুবদলের সদস্যসচিব নইমউল্যাহ চৌধুরী বরাত, সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক ভিপি বেলাল, যুগ্ম-আহ্বায়ক আমজাদ হোসেন সুমন, সদর উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব শাহাদাৎ হোসেন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম-সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দোলন, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটি সদস্য গেয়াস উদ্দিন ও আহসান উদ্দিন সুমন।
২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর ফেনীর ট্যাংক রোডে হরতালের সমর্থনে শান্তিপূর্ণ মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন। ২০১৭ সালেও শহীদ হারুনের বড় মেয়ের বিয়ের খরচও বহন করেছিলেন তারেক রহমান।