চট্টগ্রামে ঐতিহ্যবাহী জব্বারের বলীখেলা ১১৭তম আসর বসছে আগামীকাল শনিবার। তবে একদিন আগেই শুরু হয়ে গেছে বৈশাখী মেলা। লালদীঘি মাঠ পেরিয়ে বিভিন্ন সড়কে অন্তত দেড় কিলোমিটারজুড়ে পণ্যের পসরা সাজিয়েছেন বিক্রেতারা। এবার মেলা হবে দুই দিনের। তাই প্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে আগেই হাজির হচ্ছেন স্থানীয় মানুষ।
বৈশাখে চট্টগ্রামের মানুষের সবচেয়ে বড় আনন্দের অনুষঙ্গ জব্বারের বলীখেলা। বিপুল মানুষের সমাগম হওয়ায়, এই প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র কোরে লালদীঘির আশপাশে বসে মেলা।
শুক্রবার সকালেই, লালদীঘি মাঠ, বখশিরহাট, জেলরোড, শহীদ মিনার, কেসিদে রোডে পণ্যের পসরা সাজান দোকানিরা। মাটির হাঁড়ি-পাতিল, তালপাতার পাখা, মণ্ডা-মিঠাইসহ মিলছে নিত্যপ্রয়োজনীয় নানা পণ্য। গেলোবার নানা কারণে লোকসান হলেও এবার ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার আশায় বিক্রেতারা।
এবার মেলার সময় কম হওয়ায়, পণ্য কিনতে আগেভাগেই হাজির হন আশপাশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ।
এবার বলীখেলায় অংশ নিচ্ছেন শতাধিক প্রতিযোগী। সুন্দর আয়োজন উপহারে সব প্রস্তুতি নেওয়ার কথা বলছে কর্তৃপক্ষ। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।
আবদুল জব্বার স্মৃতি বলীখেলা ও বৈশাখী মেলার সাধারণ সম্পাদক শওকত আনোয়ার বাদল বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি এ বছর আমরা দুদিন মেলা করব। তারপরও দেখবেন মেলা থেকে যাবে কয়েকদিন।’
সিএমপির পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, ‘বলীখেলা ঘিরে আমরা পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমাদের মোবাইল টিম থাকবে, সাদা পোশাকে পুলিশ থাকবে। পাশাপাশি অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।’
শনিবার এসএসসি পরীক্ষা থাকায় সেদিন ভোরেই মেলা শেষ করতে বলেছে প্রশাসন।