নোয়াখালী নার্সিং ও মিডওয়াইফারি কলেজের ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে ক্লাস-পরীক্ষাসহ সব কার্যক্রম। যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার শঙ্কা শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের। ভূমিকম্প বা বন্যা পরিস্থিতিতে তাদের দিন কাটে আতঙ্কে। কক্ষ সংকটে নেওয়া যাচ্ছে না বিএসসি কোর্সের ক্লাসও।
১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত নোয়াখালী নার্সিং ও মিডওয়াইফারি ইনস্টিটিউটকে ২০২১ সালে কলেজে উন্নীত করে সরকার। কিন্তু প্রয়োজনীয় অবকাঠামো এবং জনবল সংকটে জর্জরিত প্রতিষ্ঠানটি।
একই ভবনের নিচতলায় চলে ক্লাস। দোতলা ও তিনতলায় ১০০ শয্যার ছাত্রী হোস্টেলে থাকছেন ২৫০ জন। তবে ছাত্রদের জন্য নেই কোনো আবাসিক ব্যবস্থা।
গেল বছর এই ভবন ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে গণপূর্ত বিভাগ। পলেস্তারা এবং দরজা-জানালা ভেঙে পড়ছে প্রায়ই। সামন্য বৃষ্টি হলেই পানি ঢুকে পড়ে ভেতরে। তারপরও কোনো বিকল্প না থাকায় সেখানেই চলছে সব কার্যক্রম।
কলেজের অধ্যক্ষ লায়লা জাহান জানান, ২০২৪ সালের ভয়াবহ বন্যায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষতি হয়। কলেজে সংলগ্ন নোয়াখালী জেনারেল হাসপালের সংযোগ সড়ক উঁচু করার পর থেকে বৃষ্টি হলেও কলেজে জলাবদ্ধা দেখা দেয়। এছাড়া হাসপালের বহুতল ভবনের জন্য মাটি ফাইলিংয়ের সময় নার্সিং কলেজ কয়েক ফুট নিচে ডেবে যায়। কলেজের নতুন ভবনের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বাব বার যোগাযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।
বড় ধরনের দুর্ঘটনার আগেই জরুরি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের।