খাল দখল এবং পার্বত্য জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও এলজিইডির সমন্বয়হীন উন্নয়ন প্রকল্পের কারণেই বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জেলা প্রশাসক মো. সানিউল ফেরদৌস।
তিনি আরও বলেন, ‘বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে। পানি পুরোপুরি নামার পর বলা যাবে বন্যার ক্ষয় ক্ষতির পরিমাণ। তবে সরকার বন্যা কবলিতদের সহায়তা করতে নানান উদ্যাগে গ্রহণ করেছে।’
ঘরভর্তি কাদামাটি, ভেঙে পড়া বসতঘর, নষ্ট হয়ে যাওয়া খাদ্যসামগ্রী, পানীয় জলের সংকট আর ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা এসব নিয়েই এখন নতুন করে জীবন গুছিয়ে নেওয়ার লড়াই শুরু হয়েছে জেলার হাজারো ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের।
পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠছে। কোথাও হাঁটুসমান, কোথাও কোমরসমান কাদা জমে রয়েছে ঘর-বাড়ি, দোকানপাট ও রাস্তাঘাটে।