খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা। জেলার এলজিইডি নিয়ন্ত্রণাধীন ২৮টি সড়কের ২১ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। মহালছড়ির মুবাছড়ি ও পানছড়ির নালকাটায় বন্ধ রয়েছে সরাসরি যান চলাচল। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা।
খাগড়াছড়ির মহালছড়ি-মুবাছড়ি সড়কের চিত্র এটি। পাহাড়ি ঢলে ডাইভারশন সড়ক তলিয়ে যাওয়ায় বিপাকে পড়েছে মুবাছড়ি ইউনিয়নের ১৯টি গ্রামের সাড়ে আট হাজার বাসিন্দা।
টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষায় জেলার গ্রামীণ সড়কগুলো বেহাল হয়েছে। কোথাও রাস্তার একাংশ ধসে গেছে, কোথাও সৃষ্টি হয়েছে বড় গর্ত। আবার কোথাও সড়ক ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়েছে।
খাগড়াছড়ি এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘পাহাড়ি ঢলে জেলার ২৮টি সড়কের ২১ কিলোমিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। চলাচলের অনুপযোগী ৫টি ব্রিজ ও ৪টি কার্লভাট। এছাড়াও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৯৯ কিলোমিটার গ্রামীণ সড়ক।’
ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোদ্রুত মেরামতের আশ্বাস দিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো যত দ্রুত মেরামত করা হবে।’
দ্রুত জেলার ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলো মেরামত করে যোগাযোগ স্বাভাবিক করার দাবি স্থানীয়দের।