কুমিল্লা সীমান্ত দিয়ে প্রচলিত মাদকদ্রব্যের বাইরে নতুন নেশা জাতীয় ইনজেকশন ঢুকছে। এসব মাদক জব্দের পর তৎপর হয়েছে বিজিবি। এরই মধ্যে সীমান্তা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ছাড়া মাদকের চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ ঢেকাতে ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে।
কুমিল্লা বিজিবি ১০ ব্যাটালিয়ন ও সুলতানপুর ৬০ ব্যাটালিয়নের অধীনে ১৭৫ কিলোমিটার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে পাচার হওয়ার সময় আটক ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য ধ্বংস করেছে বিজিবি। গত তিন বছরে এসব মাদক উদ্ধার ও জব্দ করে সীমান্তরক্ষী বাহিনী।
মাদক ধ্বংসকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি বিজিবি উত্তর-পূর্ব রিজিয়নের রিজিয়ন কমান্ডার বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মোহম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী জানান, মদ, গাঁজা, ফেনসিডিল, বিয়ারসহ বিভিন্ন প্রচলিত মাদকদ্রব্যের বাইরে নতুন নেশা জাতীয় ইনজেকশন জব্দ করা হয়েছে। যা এর আগে দেখা যায়নি। বাংলাদেশ ওষুধ অধিদপ্তর অনুমোদিত অনেক ওষুধ ভারত থেকে পাচারের চেষ্টা হচ্ছে।
তবে রিজিয়ন কমান্ডার জানিয়েছেন, সীমান্ত প্রহরায় এখন নানান অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সীমান্ত ড্রোন ব্যবহার করে মাদকের চোরাচালান ও অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নজরদারি করা হচ্ছে।
বিজিবি বলছে, গত তিন বছরে এই দুই ব্যাটালিয়ন ২০ হাজার ২০০ অপারেশন চালিয়ে প্রায় ৫২ কোটি টাকার মাদকদ্রব্য আটক ও জব্দ করেছে। এ ছাড়াও ৫২৬ জন আসামিকে মাদকসহ হাতেনাতে আটক করেছে।