রাত হলেই বেরিয়ে আসে ঝাঁকে ঝাঁকে শামুক

লক্ষ্মীপুরের পৌর এলাকায় হঠাৎ বেড়েছে শামুকের উপদ্রব। রাত নামলেই শত শত শামুক লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ছে। খেয়ে ফেলছে বাড়ির আঙিনার গাছপালা ও ফসল। যা কৃষি ফসল রক্ষার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করেছে। আতঙ্কিত না হয়ে রাসায়নিক প্রয়োগ ছাড়াও ডিমের খোসা কিংবা কাঠের গুঁড়ো ছিটানোর পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। 

লক্ষ্মীপুর পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মনষা বাড়ি, দুর্গাবাড়ি, কালীবাড়ি ও সিঠা ডাক্তার বাড়িসহ অন্তত ১০টি এলাকায় কয়েক মাস ধরে শামুকের দেখা মিলছে। দুই বছর আগে বন্যার পর এসব শামুক অল্প সংখ্যক দেখা গেলেও এবার সংখ্যা বেড়েছে।

স্থানীয়রা বলছেন, দিনের বেলায় তেমন দেখা গেলেও রাত হলেই বেরিয়ে আসছে শামুক। বাড়ির আঙিনায় চাষ করা সবজি ও ফুলগাছের কচি পাতা খেয়ে ফেলায় ক্ষতির মুখে অনেকেই। উপদ্রব কমাতে পলিথিনে ঢুকিয়ে ফেলে দেওয়া, রাসায়নিক প্রয়োগসহ নানা চেষ্টা করছেন তারা। অনেকের দাবি, এসব শামুক গায়ে লাগলে চুলকানির মতো সমস্যা হচ্ছে। 

তবে, শামুক ফসল খেয়ে ফেললেও মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয় বলছেন কৃষি কর্মকর্তারা। উপদ্রব কমাতে রাসায়নিক প্রয়োগ ছাড়াও ডিমের খোসা বা কাঠের গুঁড়ো ছিটানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তারা।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা হাসান ইমাম বলেন, ‘শামুক ফসলের জন্য ক্ষতিকর। রাসায়নিক প্রয়োগের পাশাপাশি কাঠের গুঁড়ো বা ডিমের খোসা ছিটানো হলে শামুক নিয়ন্ত্রণে থাকে।’

২০২৪ সালের বন্যার পর এসব শামুক দেখা গেলেও গতবছর তেমন উপদ্রব ছিল না। এবার আবারও এসব শামুক দেখা দেওয়ায় অস্বস্তিতে স্থানীয়রা।