পার্বত্য অঞ্চলের দুর্গম এলাকায় যথাযথ চিকিৎসা সেবার অভাবে ঝুঁকিতে মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যসেবা। রাঙামাটিতে চিকিৎসক সংকট ও যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিবন্ধকতা সংকটের মূল কারণ, বলছেন স্থানীয়রা। এ কারণে ভাসমান হাসপাতাল নির্মাণের দাবি তাদের। এদিকে, পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে স্থানীয়দের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে সেনাবাহিনী।
বরকল উপজেলার শুভলং ইউনিয়নের বোবাপাড়া। এই গ্রামের সন্তানসম্ভবা নারী জুনিকা চাকমা। দিন যতই গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে তার চিন্তা।
কারণ, রাঙ্গামাটি সদর ছাড়া নেই চিকিৎসা সেবার কোনো ব্যবস্থা। বরকল থেকে সেখানে যেতে নৌকা আর ট্রলার ছাড়া নেই কোনো গতি।
একই চিত্র জুড়াছড়িসহ বিভিন্ন উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার বাসিন্দাদের। বহেরা ছড়ির ইতিকা চাকমাও তাই প্রসবকালীন সেবা নিয়ে দুশ্চিন্তায়।
এ কারণে দুর্গম এলাকার গর্ভবতী নারী ও নবজাতকদের সেবা নিশ্চিতে এগিয়ে এসেছে সেনাবাহিনী। প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের।
প্রশিক্ষণ শেষে নিজেদের এলাকায় স্বাস্থ্য পরামর্শ ও প্রাথমিক চিকিৎসা সেবায় কাজ করবেন অংশগ্রহণকারীরা।
এই কর্মসূচির লক্ষ্য দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবার পাশাপাশি স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীদের দক্ষতা বাড়ানো।
রাঙ্গামাটি সিএমএইচ অধিনায়ক ডা. মেজর আবু সালেহ্ মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলে নিয়মিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে ওষুধ বিতরণ ও স্বাস্থ্য পরামর্শও দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসাপাতালে পৌঁছাতে সহায়তা করছে সেনাবাহিনী।’



