বাড়ছে কাপ্তাই হ্রদের পানি, ভোগান্তিতে স্থানীয়রা 

উজানের ঢলে কাপ্তাই হ্রদের পানি বেড়ে বিপৎসীমার কাছাকাছি অবস্থান করছে। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট আংশিক খুলে দেয়ায় ৫৪ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে নিষ্কাশন হচ্ছে। এছাড়াও ২২২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের মাধ্যমে নিষ্কাশন হচ্ছে ৩২ হাজার কিউসেক পানি। এদিকে, হ্রদের তীরবর্তী এলাকা নিমজ্জিত হওয়ায় ভোগান্তিতে স্থানীয়রা।

সোমবার সকালে বৃষ্টি না হলেও পাহাড়ি ঢলের কারণে বাড়তে থাকে কাপ্তাই হ্রদের পানি। এর ফলে তীরবর্তী এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা।

জেলার লংগদু ও বাঘাইছড়ি উপজেলার নিচু এলাকার অনেক ঘরবাড়ি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। পানি বাড়ায় পণ্য পরিবহনের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। সেই সাথে বিপাকে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা। যাতায়াতে দুর্ভোগে পড়ছে তারা। 

এদিকে পানি বেড়ে কাপ্তাই হ্রদের অন্যতম আকর্ষণ ‘ঝুলন্ত সেতু’ তলিয়ে যাওয়ায় হতাশ পর্যটকেরা। রাঙামাটি ঘুরতে এসে সেতুর সৌন্দর্য উপভোগ করতে না পেরে ক্ষোভ জানান তারা। 

পর্যটন কর্পোরেশন রাঙামাটির বিপণন কর্মকর্তা মো. সোহেল বলেন, ‘ঝুলন্ত সেতু তলিয়ে যাওয়া পর্যটকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন। অনেকে ঘুরতে এসে ঠিকমতো লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন না।’

এর আগে গত ১৮ জুলাই পাহাড়ি ঢলে হ্রদের পানি বাড়লে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৬টি জলকপাট খুলে দেওয়া হয়েছিল।