চলতি বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিপুল পরিমাণ আম উৎপাদন হলেও পূরণ হয়নি রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা। এতে করে হতাশ চাষি ও ব্যবসায়ীরা। তাদের আভিযোগ, বিভিন্ন কারণে এবার আম রপ্তানি হয়েছে গত বছরের তুলনায় এক–ষষ্ঠাংশ। অথচ রপ্তানির আশায় অতিরিক্ত অর্থ খরচ করে উত্তম কৃষি চর্চার মাধ্যমে আম উৎপাদন করেছিলেন চাষিরা।
কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদন হয়েছে এ বছর। এরই মধ্যে উৎপাদনের ৯০ শতাংশ আম বাজারজাত করা হয়েছে। তবে এ বছর আম থেকে রপ্তানি আয় একেবারেই তলানিতে।
চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বৈশ্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতি, উড়োজাহাজের অতিরিক্ত ভাড়া, প্যাকিং হাউসের স্বল্পতাসহ নানা সংকটে এবার আশানুরূপ পরিমাণ আম রপ্তানি করতে পারেননি তারা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক আব্দুল হালিম বলেন, ‘গত বছর চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ১৫৩ মেট্রিক টন আম রপ্তানি হয়েছিল বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এ বছর রপ্তানি হয়েছে মাত্র ২৬ মেট্রিক টন। আম রপ্তানি কমলেও আগামীতে বাড়বে বলে আশা করি।’
আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, গুণগত মানসম্পন্ন আম উৎপাদনের পরও উল্লেখ্যযোগ্য পরিমাণ রপ্তানি না হওয়ায় চাষিরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি দেশ হারাচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রা।



