বান্দরবানের দুর্গম জনপদে যোগাযোগের প্রধান অবলম্বন ৯৩টি বেইলি ব্রিজের মধ্যে ৪০টিই মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। জোড়াতালি দিয়ে টিকে থাকা এসব সেতু দিয়েই প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলছে ভারী যানবাহন, স্থানীয় ও পর্যটকরা। বাড়ছে দুর্ঘটনার শঙ্কাও।
পাহাড়ের বুক চিরে আঁকাবাঁকা সড়ক। এক পাশে পাহাড়, অন্য পাশে গভীর খাদ। মাঝখানে নড়বড়ে লোহা পাটাতনের বেইলি ব্রিজ। ঝালাই আর জোড়াতালিতে কোনোমতে সচল কিছু সেতু।
বান্দরবানের সাত উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়কে থাকা ৯৩টি বেইলি ব্রিজের মধ্যে ৪০টিই ঝুঁকিপূর্ণ। অথচ এসব সেতু দিয়েই ঝুঁকি নিয়ে চলছে ট্রাক, বাস, পর্যটকবাহী গাড়ি আর মোটরসাইকেল। সরু ও নড়বড়ে এসব সেতুতে বর্ষায় বাড়ে দুর্ভোগ, পাশপাশি দুর্ঘটনার শঙ্কাও।
বান্দরবান সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘ঝুঁকিপূর্ণ সেতুগুলো পর্যায়ক্রমে স্থায়ী করার উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে প্রথম ধাপে ২০টি সেতুর কাজ হবে। বাকিগুলোর জন্যও প্রকল্প গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস মিললেও কবে এই ঝুঁকিপূর্ণ যাতায়াতের শেষ হবে, তার নেই স্পষ্ট কোনো জবাব। বড় কোন দুর্ঘটনার আগেই এসব সেতু সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের।