কুমিল্লার ৩ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী একজন করে, পাস করেনি কেউই

একটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থী মাত্র একজন, কিন্তু সেই পরীক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। কুমিল্লা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীন এমন তিনটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের খোঁজ পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো–চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং লক্ষ্মীপুরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ। এ বছর বোর্ডের অধীন মোট ১৫টি প্রতিষ্ঠানের কোনো পরীক্ষার্থীই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

কুমিল্লা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।

বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া ১৫টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে–চাঁদপুর পৌর শহীদ জাবেদ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার লালমাই উপজেলার সুরুজ মেমোরিয়াল হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের ক্যামব্রিজ সিটি কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বিনোদপুর ইউনিয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বগইর গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগরের তোরাবগঞ্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণের ডা. এম শামসুল হক মডেল কলেজ, ফেনী সদর উপজেলার বেগম শামসুন্নাহার গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মমতাজ উদ্দিন আলোকিত কলেজ, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার প্রফেসর সিকান্দর আলী ভূঁইয়া গার্লস হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের উপপের মডেল কলেজ, লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের বীরগাঁও স্কুল অ্যান্ড কলেজ, লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার ফজু মিয়ার হাট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং ফেনী সদর উপজেলার বিকন মডেল কলেজ।

অন্যদিকে, বোর্ডের অধীন চারটি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানগুলো হলো কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজ, ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ, কুমিল্লা সদর উপজেলার ময়নামতি ইংলিশ স্কুল অ্যান্ড কলেজ এবং মেঘনা উপজেলার মোজাফফর আলী হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ।

এ বছর কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৪৫৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯২ হাজার ১৬২ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৪ হাজার ৭২৭ জন। পাসের হার ৪৮ দশমিক ০৪ শতাংশ।