ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর হাটে কোরবানির পশু বিক্রি শুরু না হলেও বেচা-কেনা চলছে খামারে। পশু পালনের ঝামেলা না থাকায় সরাসরি খামার থেকেই গরু কিনছেন অনেক ক্রেতা। ৭৫ হাজার থেকে কোটি টাকায় মিলছে কোরবানির গরু। এরই মধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে ৫০ ভাগের বেশি পশু।
দুই সিটি করপোরেশনের ইজারার শর্ত অনুযায়ী, ১২ জুন থেকে কোরবানির পশু বিক্রি শুরু হবে রাজধানীর হাটে। বেচা-বিক্রি চলবে পাঁচ দিন। তবে খামারে কোরবানির পশু বিক্রির তেমন কোনো নিয়মনীতি নেই। ভিড় এড়িয়ে পছন্দের কোরবানির পশু কেনার জন্য খামারকেই বেছে নিচ্ছেন অনেকে। নেই যানজটেরও ভোগান্তি। তাই এক খামার থেকে অন্য খামারে ঘুরে দেখছেন ক্রেতা।
কেউ কেউ আগেভাগেই কিনে ফেলছেন পছন্দের পশুটি। অনেকে আবার এখনও দরদাম যাচাইয়ের জন্য খামারে যাচ্ছেন।
ক্রেতারা বলছেন, গতবারের চেয়ে এবার কোরবানির পশুর দাম কিছুটা বেশি।
এ বছর ঢাকা মহানগরের সাত শ থেকে আট শটি খামার কোরবানির পশু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রয়েছে। কসাই সরবরাহের সুবিধাসহ খামারগুলো দিচ্ছে ক্রেতাদের নানা অফার।
মদিনা ক্যাটেল ফার্মের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ হোসেন সজীব জানান, খামারের ৫০ শতাংশ পশু বিক্রি হয়ে গেছে। এ ছাড়া বুকিং তো চলছেই। গত বছরের তুলনায় যদিও সাড়া কম, তারপরও বেচা-বিক্রি ভালো হচ্ছে।
সাদিক এগ্রোর ম্যানেজার মো. শরীফ বলেন, ‘২০০ থেকে ৪০০ কেজির গরুগুলোর কেজি বিক্রি করছি ৫০০ টাকা দরে। আর ৫০০ কেজি পর্যন্ত গরুর কেজি বিক্রি করছি ৫৫০ টাকা পর্যন্ত। এ ছাড়ে ৬০০ কেজি পর্যন্ত গরুগুলোর কেজি দিচ্ছি ৬০০ টাকা করে। তবে এর ওপর গেলে সেগুলোকে পিস হিসেবে বিক্রি করছি।’
খামার থেকে গরু কিনলে ঈদের দিন সকালে পৌঁছে দেওয়া হবে ক্রেতার বাড়িতে, এমন সুযোগও রয়েছে। এ ছাড়া ওজন মেপেও বিক্রি হচ্ছে পশু।