জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে ৩০ জনকে আর্থিক অনুদান

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বার্ন ইউনিটে আহত ৩০ জনকে আর্থিক অনুদান দেয়া হয়। এ সময় প্রত্যেককে এক লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম,আসিফ মাহমুদ সজীব ভূইয়া ও জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মুগ্ধর ভাই স্নিগ্ধ।

রোববার দুপুর পৌনে তিনটার দিকে বার্ন ইউনিটের ছয় তলায় ৬১৭ নাম্বার রুমে এই চেক হস্তান্তর করেন তারা।

ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সামনে জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মুগ্ধর ভাই স্নিগ্ধ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা একটি ফাউন্ডেশন করেছিলাম সেখানে আমাদের ঘোষণা ছিল শহীদদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের প্রত্যেককে সর্বোচ্চ ১ লাখ টাকা করে দেওয়া হবে। এছাড়া তাদেরকে আরো আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। এছাড়া জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউটে ৩৩ জনকে ৩৩ লক্ষ টাকার চেক এবং পঙ্গু হাসপাতালে ৫৯ জনকে ৫৯ লক্ষ টাকা তাদের কাছে বিকাশের মাধ্যমে চলে যাবে। এখন পর্যন্ত আমরা সর্বমোট এককোটি একাত্তর লক্ষ ৪২ হাজার ৫০ টাকা দিয়েছি।’

এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের উপদেষ্টা নাহিদ ইসলাম জানান, যারা আহত আছেন তারা সবাই বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন। ঢাকা মেডিকেলে আসার আগে অনেকে বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা সেবা নিয়ে আসছেন সেইখানে তাদের টাকা পয়সা খরচ হয়েছে। খরচের ওই ডকুমেন্ট আমরা তাদেরকে রাখতে বলেছি এবং আমরা এই ডকুমেন্টগুলো নিচ্ছি। আমরা যেহেতু সরকার থেকে ঘোষণা করেছি যারা সরকারী বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সে নিয়েছে আমরা তাদের বিল পরিশোধ করে দিব। যেহেতু হাসপাতালে তারা দুই মাসের অধিক সময় ধরে আছে তারা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে ট্রমাটাইজড তাদের ভবিষ্যৎ আছে তারা সামনে কিভাবে তাদের একটু দুশ্চিন্তা তৈরি হয়েছে। আপনাদের সকল দায়িত্ব থেকে নেওয়া হবে এবং সব সময় তাদের সাথে যোগাযোগ থাকবে। আমাদের ফাউন্ডেশনের কাজটি অনেকটা গুছিয়ে নিয়েছি মাঝে কিছুদিন গেপ ছিল আহত এবং নিহতদের জন্য একটু ওয়েবসাইটে ডাটাবেজ তৈরি করেছি। এখন আমাদের জাস্ট লক্ষ্য অর্জন করার সময়। ঢাকা কাভার করে আমরা ঢাকার বাইরে কাজ শুরু করব আমরা।যারা প্রাথমিকভাবে হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে তাদের আর্থিক সহায়তা দেওয়াটা গুরুত্ব দিচ্ছি। 

এসম তিনি আরও বলেন, আন্দোলনের যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ওদেরকে প্রায়োরিটি দিচ্ছি যারা বাসায় ক্রিটিক্যাল অবস্থায় আছে আমাদের সাথে একটু যোগাযোগ গ্যাপ হয়েছে এজন্য আমরা একটি হেলপ্লাইনের ব্যবস্থা করেছি। আমাদের সাথে যোগাযোগ করার জন্য হেল্প লাইন নম্বর ১৬০০০। আহত এবং নিহতদের পরিবারদের যেকোনো ধরনের আইনি সমস্যা ও আর্থিক সমস্যা জানানোর জন্য এই হট লাইনে ফোন দেওয়ার অনুরোধ করেন তিনি।