এনসিপি নেত্রী মিতু প্রতারকের ফাঁদে পড়েছেন: দুদক মহাপরিচালক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতু প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক আক্তার হোসেন। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, দুদকের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর ঘুষ দাবির অভিযোগের বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হলে ভুল বুঝতে পারবেন হাসনাত আবদুল্লাহ।

স্বাধীন বাংলাদেশে দুদকের চা খাওয়ার বিল এক লাখ টাকা- এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর এমন একটি অভিযোগ ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

সেখানে বলা হয়, দুর্নীতির অভিযোগ থেকে অব্যহতির জন্য এনসিপি নেত্রী ডা. মাহমুদা মিতুর কাছ থেকে মোবাইলে অর্থ দাবি করেন দুদকের ডিজি পরিচয়ে একজন।

এ বিষয়ে সাংবাদ সম্মেলনে মহাপরিচালক জানান, এনসিপি নেত্রী প্রতারক চক্রের ফাঁদে পড়েছেন। অর্থ দাবির ঘটনায় ৪ জিডি করা হয়েছে। অনুসন্ধানে দুদকের কারো সংশ্লিষ্টতা মিললে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আক্তার হোসেন বলেন, ‘আমার মনে হয় তিনি যখন প্রকৃত ঘটনা জানতে পারবেন, কি ঘটেছে, তারপর তিনি নিশ্চই বুঝতে পারবেন যে তিনি ভুল করেছেন। এই প্রক্রিয়ার সাথে যদি দুদকের কোনো পর্যায়ের, কোনো কর্মকর্তার কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায় তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে।’

২৯তম বিসিএসে ফল প্রকাশের ১৩ মাস পর নন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত ২১ জনকে প্রভাব খাটিয়ে ক্যাডার হিসেবে বিভিন্ন দপ্তরে পদায়ন করা হয়। এমন অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি।

আক্তার হোসেন বলেন, ‘নন ক্যাডারে যারা সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন, তাদের মধ্য থেকে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যাবহারের মাধ্যমে ২১ জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম বহির্ভুতভাবে যখন হয়েছে, এ বিষয়ে অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। সুতরাং সব বিষয়গুলো উঠে আসবে।’

এছাড়া, ব্যাংক ঋণের প্রায় ৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের সাবেক এমডি পিকে হালদারসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা করেছে দুদক।