গাজীপুরের শ্রীপুরে বিস্ফোরক, অস্ত্র ও চাঁদাবাজিসহ সাত মামলার আসামি বহিষ্কৃত যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম পিন্টুকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন কেন্দ্রীয় বিএনপি নেতা অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু। বুধবার এ ঘটনা হয়।
অভিযুক্ত যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু (৩৫) শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মুলাইদ গ্রামের নুরুল ইসলামের ছেলে। শ্রীপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালীন অস্ত্র, চাঁদাবাজি, মাদক সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানায়, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে যুবদলের নাম ব্যবহার করে বেপরোয়া হয়ে ওঠেন জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু। চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি অর্ধশত দলবলসহ মাথায় লাল কাপড়, হাতে রাম দা নিয়ে মহড়া ও মাইকে প্রকাশ্যে চাঁদা চাওয়ার ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পরপরই যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটি তাকে বহিষ্কার করে। এছাড়াও তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, বিস্ফোরক, চাঁদা দাবি, মাদকসহ সাতটি মামলা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও গাজীপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু বলেন, ‘আজ সকালে নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে বাড়ির পাশে মতবিনিময় করছিলাম। এসময় ওই পথ ধরে যাচ্ছিল সাত মামলা আসামি বহিষ্কৃত যুবদল নেতা জাহাঙ্গীর আলম পিন্টু। এসময় নেতাকর্মীদের দেখে দৌড় দেয়। পরে তাকে ধরে এনে দৌড় দেওয়ার কারণ জানতে চাইলে মামলাসহ বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।’
অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলাম বাচ্চু আরও বলেন, ‘গত মঙ্গলবারও একটি শিল্প কারখানায় দলীয় পরিচয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করাসহ দলীয় পদ–পদবি ব্যবহার করে নানা অপকর্মের সাথে সম্পৃক্ততার অভিযোগ পাওয়া যায় পিন্টুর বিরুদ্ধে। বিষয়টি জানার পরপরই শীর্ষ সন্ত্রাসী জাহাঙ্গীর আলম পিন্টুর অবস্থান পুলিশে জানানো হয়। পরে শ্রীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাকে গ্রেপ্তার করে।’