পদ্মার ভাঙনে বদলে গেছে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া লঞ্চঘাটের চিত্র। ছয় মাস আগে ঘাট পদ্মার গর্ভে বিলীন হলেও এখনও মেরামত হয়নি। অস্থায়ী ঘাট ব্যবহারে ভোগান্তির পাশাপাশি বেড়েছে ঝুঁকি, বলছেন যাত্রী ও লঞ্চমালিকেরা। ঘাট মেরামতের বরাদ্দ পেলেই শুরু হবে কাজ বলছে বিআইডব্লিউটিএ।
ছয় মাস আগেও লঞ্চযাত্রীদের ওঠা-নামায় পাকা সড়কের পাশাপাশি স্টিলের জেটি ও ইস্পাত গ্যাংওয়ে ছিল। তবে এখন ভরসা ৪০ ফুট ঢালু একটি মাত্র মাটির রাস্তা। বর্ষায় পদ্মার গর্ভে ঘাট ও পাকা সড়ক বিলীন হওয়ার পর থেকে এভাবেই চলছে যাত্রীদের ওঠা-নামা।
ঘাট ব্যবহারকারীরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই পথে দিয়েই প্রতিদিন লঞ্চে ওঠা-নামা করছে হাজারো মানুষ। বেশি ভোগান্তিতে শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীরা। ঘাট এলাকায় ছোট-বড় দুর্ঘটনা লেগেই আছে।
পদ্মার ভাঙনে এমনিতেই নাজুক পাটুরিয়া ঘাট। অব্যবস্থাপনায় ভোগান্তি আরও বাড়ছে। লঞ্চ মালিকেরা বলছেন, ঈদের সময় যাত্রীচাপ বাড়লে ভোগান্তি আরও বাড়বে।
তবে বিআইডব্লিউটিএর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রবিউল আওয়াল বলেন, বরাদ্দ না পাওয়ায় শুরু হচ্ছে না কাজ।
শিবালয় উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রানী কর্মকার বলেন, প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার যাত্রী পাটুরিয়া ঘাট ব্যবহার করে। ঈদ এলে তা বেড়ে যায় আরও কয়েকগুণ। ঈদের আগে পারাপার নির্বিঘ্ন করতে ক্ষতিগ্রস্ত লঞ্চঘাট ও সড়ক মেরামত করা হবে।