ভারী বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যমুনা নদীর ভাঙন তীব্র হওয়ায় ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় সিরাজগঞ্জের চরাঞ্চলের মানুষ। জেলার ৫টি উপজেলার চরগুলোতে একের পর এক বিলীন হচ্ছে ঘর, ফসলি জমি, স্কুল ও রাস্তাঘাট। সরকারিভাবে কার্যকর পদক্ষেপ না নেয়ার অভিযোগ স্থানীয়দের। যদিও পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, চরাঞ্চলে ভাঙন ঠেকাতে নেয়া হচ্ছে পরিকল্পনা।
ভারী বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জের যমুনা নদীতে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে তীব্র ভাঙন।
কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর এবং সদরের চর এলাকায় সবচেয়ে বেশি আগ্রাসী নদীভ। এরইমধ্যে বিলীন হয়ে গেছে সদরের কাওয়াখোলা ইউনিয়নের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন। হুমকিতে বাড়িঘর, ফসলি জমি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আতঙ্কে ঘর সরিয়ে নিতে বাধ্য হচ্ছে অনেকেই।
ভাঙনে নিঃস্ব বাসিন্দাদের অভিযোগ, যমুনার তীরে ভাঙন ঠেকাতে পানি উন্নয়ন বোর্ড জরুরি ভিত্তিতে কাজ করলেও চরাঞ্চলে ভাঙন ঠেকাতে নেই কোনো উদ্যোগ।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের নির্বাহী প্রকৌশলী মোকলেছুর রহমান বলেন, ‘চরের বাজার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষায় নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পরিকল্পনা।’
জেলার বেলকুচি, চৌহালি, শাহজাদপুর, কাজিপুর এবং সদরের ২৩টি ইউনিয়ন যমুনা নদীর চর এলাকায় হওয়ায় ভিটেমাটি রক্ষায় স্থায়ী বাঁধের দাবি স্থানীয়দের।



