প্রত্যাশার চাপ সামলাতে নানা প্রতিশ্রুতি নিয়ে ভোটারদের দুয়ারে মানিকগঞ্জের তিনটি আসনের প্রার্থীরা। গুরুত্ব পাচ্ছে যমুনার ভাঙন আর চরবাসীদের জীবনমান উন্নয়ন। বিচ্ছিন্ন অভিযোগ ছাড়া, বড় ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা নেই বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ঘিওর-দৌলতপুর ও শিবালয় উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ-১ আসন। এখানে ভোটের লড়াইয়ে থাকা বিএনপি, জামায়াতসহ সব প্রার্থীই যমুনার ভাঙন রোধের আশ্বাস দিচ্ছেন। প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন চরবাসীর জীবনমান উন্নয়নেরও।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর বলেন, ‘বিএনপি যদি সরকার গঠন করে আগামী দুই বছরের মধ্যে মেহনতি মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে আমি সক্ষম হব।’
একই আসনে জামায়াত জোট প্রার্থী আবু বক্কর সিদ্দিক অভিযোগ করে বলেন, ‘আমাদের বিভিন্ন কর্মীদের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। তাদেরকে একা পেলেই বলা হচ্ছে তারা যেন দাঁড়িপাল্লা মার্কার সঙ্গে না থাকে।’
আর সিংগাইর-হরিরামপুর ও সদরের দুই ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত মানিকগঞ্জ-২। এই আসনের মূল লড়াই হতে পারে বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে। ইতিবাচক রাজনীতির কথা বললেও, নানান অভিযোগও আছে দুপক্ষের।
মানিকগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান শান্ত বলেন, ‘আমি পজিটিভ রাজনীতিতে বিশ্বাসী। আমি পজিটিভ ওয়েতে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছি। অন্য পক্ষের নেগেটিভ প্রচারের দিকে আমরা খেয়াল করছি না।’
এ আসনে ১১ দলীয় জোট প্রার্থী মওলানা সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমি খেটে-খাওয়া, মেহনতি মানুষদের কাছ থেকে সবচেয়ে বেশি সাড়া পাচ্ছি। তাঁরা পরিবর্তন চায়।’
জেলার তিনটি আসনের মধ্যে মানিকগঞ্জ-৩ এ অতীতে উন্নয়ন হলেও সেবা না পাওয়ার অভিযোগ ভোটারদের। তবে জনগণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট চাইছেন প্রার্থীরা।
মানিকগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা বলেন, ‘উন্নয়নের চাবিকাঠি আপনাদের হাতে। আপনারা যদি কোনো ভুল সিদ্ধান্ত নেন, তার দায়-দায়িত্ব আপনাদেরই বহন করতে হবে।’
নারীর নিরাপত্তা ও বেকারত্ব কমানোয় গুরুত্ব দিচ্ছেন নতুন ভোটারেরা।