গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় বিএনপির কর্মীকে কুপিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে দুই জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে। রোববার বিকেল সাড়ে ৫টায় উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা হয়।
জানা গেছে, এ ঘটনায় বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ (৩৮), তার স্ত্রী আমেনা বেগম (২৬) ও ভাতিজা কাউসার শেখসহ মোট ৫ জন আহত হয়েছে। এদের মধ্যে ৩ জনকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রধান দুই অভিযুক্ত জিয়ারুল মোল্লা (২৮) জামায়াত কর্মী ও দিন ইসলাম মোল্লা (২৫) শিবির কর্মী বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগীরা। জিয়ারুল সরদার পাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে ও দ্বীন ইসলাম একই গ্রামের জামসেদ মোল্লার ছেলে।
টুঙ্গিপাড়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি কর্মী দেলোয়ার শেখ অভিযোগ করে বলেন, ‘সরদারপাড়া গ্রামের সিদ্দিক মোল্লার ছেলে জিয়ারুল ও জামসেদ মোল্লার দুই ছেলে নুর ইসলাম ও দ্বীন ইসলাম জামায়াত–শিবিরের রাজনীতি করে। আর আমরা বিএনপির রাজনীতি করি। নির্বাচনের আগে ওদের বাড়িতে একাধিকবার ভোট চাইতে গেলে তারা বিভিন্ন খারাপ কথা বলে ও ভোট না চাইতে যাবার জন্য হুমকি দেয়। নির্বাচন পরবর্তী রোববার বিকেলে রাস্তায় গেলে কটু কথা শুরু করে তখন এর প্রতিবাদ করলে জিয়ারুল, দ্বীন ইসলামসহ সিদ্দিক মোল্লার আরও তিন ছেলে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলা করে এবং মাথায় কোপ দেয়। তখন আমার স্ত্রী ও ভাতিজা ঠেকাতে আসলে তাদের ওপর হামলা করে। পরে স্থানীয়রা আমাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।’
এ ব্যাপারে টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আইয়ুব আলী বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরে সরজমিনে পুলিশ তদন্ত করতে গিয়েছে। এখনো কোনো মামলা হয়নি। তদন্তের পর বাকি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’