রাজধানীতে ভূমিকম্প ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তে তেমন কোনো অগ্রগতি নেই। রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) জানিয়েছে, ছয় মাসে মাত্র ১৫টি ভবনের ঝুঁকি পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন ইমারত বিধিমালার মাধ্যমে অনিয়ম বন্ধ হবে বলে আশা সংস্থাটির। তবে নগরবিদেরা বলছেন, শুধু ভূমিকম্প নয়, সব ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিতে ভবনগুলোর মূল্যায়ন জরুরি।
এক বছরে দেশের ভেতর ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়েছে ৩২টি। এর মধ্যে ২১ নভেম্বর ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে হেলে পড়ে রাজধানীর কয়েকটি ভবন। তাই প্রশ্ন উঠেছে, কতটা নিরাপদ ঢাকার ভবনগুলো।
যদিও রাজউকের দাবি, চোখের দেখায় বা ছোটখাটো পরীক্ষায় চলছে ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তের কাজ। কিছু টেস্ট বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েও (বুয়েট) হচ্ছে।
সংস্থার চেয়ারম্যান মো. রিয়াজুল ইসলাম জানান, ভবন নির্মাণে নতুন যে নীতিমালা হয়েছে, এর বাইরে কিছু করা যাবে না।
ঝুঁকিপূর্ণ ভবন শনাক্তের গতি বাড়ানোর তাগিদ দিয়েছেন নগর পরিকল্পনাবিদ আদিল মুহাম্মদ খান। বলেন, ঝুঁকিতে থাকা ভবনগুলোর বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
খুব শিগগিরই গঠিত হবে আর্থকোয়াক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট। ভূমিকম্পের ঝুঁকি ও ক্ষতি কমাতে কাজ করবে সংস্থাটি।