ঢাকা থেকে উত্তরাঞ্চলে ঈদযাত্রায় দুশ্চিন্তার কারণ ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়ক। কয়েক দফা সময় বাড়িয়েও শেষ হয়নি নির্মাণকাজ। চালক ও যাত্রীরা বলছেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের ধীরগতির কারনে দুর্ভোগ। তবে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ ও সেতু বিভাগ।
গাজীপুরের ভোগড়া থেকে এলেঙ্গা পর্যন্ত চার লেনে নির্বিঘ্নে গাড়ি চললেও বিপত্তি এর পরেই শুরু। ফ্লাইওভারের কাজ চলায় এ অংশে সংকীর্ণ হয়ে পড়েছে মহাসড়ক। এতে প্রতিনিয়তই তৈরি হচ্ছে যানবাহনের জট।
ঈদযাত্রায় যানবাহন কয়েকগুণ বেড়ে গেলে তীব্র যানজটের শঙ্কায় চালকদের। এছাড়া এলেঙ্গা থেকে যমনা সেতু পর্যন্ত সাড়ে ১৩ কিলোমিটার রাস্তার কাজের কারণে সেখানেও পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কাজের ধীরগতিতে দুর্ভোগ, বলছেন চালকেরা।
এক বাসচালক বলেন, ‘আমরা দীর্ঘদিন থেকে দেখতেছি কাজগুলো খুবই ধীরগতিতে চলতেছে। এগুলো ঠিকমতো হলে আমাদের ভোগান্তি অনেক কমে যায়।
তবে ভোগান্তি কমাতে ডিসেম্বরের মধ্যেই কাজ শেষ করার আশ্বাস সেতু বিভাগের। পাশাপাশি ঈদযাত্রায় যানজট এড়াতে নেওয়া হচ্ছে বিশেষ ব্যবস্থা।
যমুনা সেতু সাইটের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘বর্ষকালটা আমাদের জন্য একটু চ্যালেঞ্জ হবে, কারণ এই সময়টাতে প্রায়ই বৃষ্টি নামে। তবে আমরা আশা করছি যেসব জায়গাগুলো সমস্যা হচ্ছে সেখানে মেরামত করা হবে।’
ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে মহাসড়কের ৬৫ কিলোমিটার এলাকায় দায়িত্বে থাকবেন আট শতাধিক পুলিশ। সেইসঙ্গে সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিতে থাকবে বাড়তি টহল।
টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, ‘ঈদের সময়টাতে রাস্তার তুলনায় যানবাহনের সংখ্যা থাকে অনেক বেশি এবং লোকজন রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকে। যখন বাস রাস্তায় দাড় করিয়ে যাত্রী তোলে তখন রাস্তাটা কিছুটা স্লো হয়ে যায়। এসব ক্ষেত্রে আমাদের পুলিশ নিয়োজিত থাকবে।’
যমুনা সেতুতে প্রতিদিন অন্তত ১৮ থেকে ২০ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদ উৎসবে তা ৫০ হাজার ছাড়ানোরও রেকর্ড রয়েছে।